টাঙ্গাইলে ধর্ষক ও সহায়তাকারী আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলে কালিহাতী উপজেলার পারখী ইউনিয়নের পূর্বাসিন্দা গ্রাম থেকে এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষনের অভিযোগে ধর্ষক ও সহায়তাকারীকে আটক করে পুলিশ জেল হাজতে পাঠিয়েছেন।

গত (২মে) বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি মীমাংসার জন্য স্থানীয় ইউপি সদস্য কদ্দুস, আওয়ামী লীগ নেতা খসরু, স্থানীয় মাতাব্বর সাইফুল ইসলাম শালিসের মাধ্যমে ধর্ষক ও সহায়তাকারীকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করে। পরে হুমকি ধামকি দিয়ে ওই স্কুল ছাত্রীর পরিবারকে গ্রামছেড়ে অন্যত্র স্থানে রাখার সিদ্ধান্ত নেয় তারা। এ বিষয়ে (৬মে) স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনের নজরে অাসে। এসময় পুলিশ মাতাব্বরদের চাপ দিলে তারা স্কুল ছাত্রীর পরিবারের সন্ধান দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে ওই স্কুল ছাত্রীর পরিবারের লোকজনকে উদ্ধার করে মামলা নেয়। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পুলিশ ধর্ষণকারী ও গর্ভপাত নষ্টকারীকে আটক করে।

আটককৃতরা হলেন, পারখী ইউনিয়নের পূর্বাসিন্দা গ্রামের রায় মোহনের ছেলে রাম প্রসাদ(২০) ও ধর্ষকের ফুফাতো বোন রত্না সূত্রধর(২৫)। ধর্ষিতার বাবা বাদি হয়ে রাম প্রসাদ ও রত্না সূত্রধরকে আসামী করে মামলা করেছে।

ওই স্কুল ছাত্রীর বাবা জানান, স্কুলে যাওয়া-আসার পথে আমার নাবালিকা পঞ্চম শ্রেনীর ছাত্রীকে ফুসলিয়ে রাম প্রসাদের ফুফাতো বোনের ঘরে একাধিকবার ধর্ষণ করে। ফলে আমার মেয়ে অন্ত:সত্ত্বা হয়ে পড়ে। ধর্ষক রাম প্রসাদ কৌশলে তার ফুফাতো বোন রত্নার সহযোগিতায় গর্ভপাত নষ্ট করার জন্য ওষুধ খাওয়ায়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় ইউপি সদস্য কদ্দুস, ওই ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সভাপতি খসরু ও মাতাব্বর সাইফুল সালিশের আয়োজন করেন।

কালিহাতী থানার ওসি মীর মোশারফ হোসেন বলেন, স্কুল ছাত্রীকে মেডিকেল করার জন্য টাঙ্গাইল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ধর্ষক রাম প্রসাদ ও সহযোগী রত্নাকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় কালিহাতী থানায় মামলা দায়ের করেছেন স্কুল ছাত্রীর বাবা।

টাঙ্গাইল জেলার খবর সবার আগে জানতে ভিজিট করুন www.newstangail.com। ফেসবুকে দ্রুত আপডেট মিস করতে না চাইলে এখনই News Tangail ফ্যান পেইজে (লিংক) Like দিন এবং Follow বাটনে ক্লিক করে Favourite করুন। এর ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে সয়ংক্রিয়ভাবে নিউজ আপডেট পৌঁছে যাবে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.