সখীপুরে চড়া দামের দেশি ফলে ভরপুর বাজার

সজল আহমেদ: জ্যৈষ্ঠের শুরুেত সখীপুরের হাটবাজারগুলোতে এসেছে নানা প্রজাতির ফল। দোকানিরা ফলের পসরা নিয়ে বসেছেন বিভিন্ন স্থানে। তবে চাহিদা অনুযায়ী ফল সরবরাহ কম থাকায় এসব ফলের দাম বেশ চড়া।

উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আম, লিচু, কাঁঠাল, বাঙ্গি, আনারস, জামরুল, সফেদাসহ বিভিন্ন মৌসুমী রসাল ফল আসতে শুরু করেছে । খুচরা বিক্রেতারা ফল কিনে বিভিন্ন দোকান, হাট-বাজার আবার বিক্রি করছেন। তবে ফলের দাম জনসাধারণের নাগালের বাইরে থাকায় ক্রেতারা অনেকে শূন্য হাতে ফিরছেন।

ভ্রাম্যমাণ ফল বিক্রেতা হাফিজ উদ্দিন জানান, প্রতিকেজি তরমুজ ৮০ টাকা। কাঁঠাল প্রকার ভেদে ৩০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা বিক্রেতা সূত্রে জানা গেছে, প্রতি কেজি আম বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ৩০০ টাকায়। পাকা পেঁপে ৮০ টাকা থেকে ১২০ টাকা, একশ লিচু (বড় আকারের) ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, ছোট লিচু ২০০ থেকে ৩০০, আনারস আকার ভেদে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, জামরুল প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা, কলা ১২০ থেকে ১৫০ টাকা ডজন, পেয়ারার কেজি ৮০ টাকা থেকে ১২০ টাকা। সবেদা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে।

উপজেলার নলুয়া বাজার এলাকায় লিচু কিনতে আসা আহাদ জানান, মৌসুমি ফল আজকে কিনলেন। ১০০ লিচুর দাম ৩০০ টাকা। তবে লিচুর আকার হিসেবে দাম বেশি না।

সখীপুর কাচা বাজার এলাকায় বেল কিনতে আসা হোসেন মাহমুদ জানান, রমজানের আগে বেল ১০০ টাকায় কিনলাম আর এখন বেলের দাম ২০০ টাকা। রোজায় বেলের সরবত খেতে ভালো লাগে তাই দাম বেশি হলেও কিনলাম।

ফল ব্যবসায়ী মালেক মিয়া জানান, ভালো জিনিসের দাম একটু বেশি হবেই। এছাড়া নতুন ফলের চাহিদা বেশি। আমাদের বেশি দামে মাল কিনতে হচ্ছে তাই বেশি দাম রাখতে হচ্ছে। যত দিন যাবে বাজারে দেশি ফল নামবে, দামও কমে যাবে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.