ব্রেকিং নিউজ

ভলগেট সরিয়ে না দেয়ায় উদ্ধার হয়নি টাঙ্গাইলের যমুনা নদীতে পড়ে যাওয়া রাবেয়া

নিজস্ব প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের যমুনা নদীতে পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে যমুনা নদীর তীরে বেড়াতে গিয়ে বালুবাহী ভলগেটের উপর দাঁড়িয়ে ছবি তোলার সময় নদীতে পড়ে যায় রাবেয়া (৫) নামের এক শিশু । এরপর খবর পেয়ে উদ্ধার অভিযানে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ এবং টাঙ্গাইল ও ভূঞাপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ।

কিন্ত ঘটনাস্থলে ছিলো অতিরিক্ত ভলগেট। যার কারনে উদ্ধার অভিযান স্থগিত করে রাত ৯টার দিকে তারা চলে আসে। বুধবার (১৪আগষ্ট) বিকাল ৫ টার দিকে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের ল্যাংড়া বাজার এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে। নিখোঁজ ওই শিশু উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের সিরাজকান্দি গ্রামের এরশাদ আলীর মেয়ে রাবেয়া (৫) ।

নিখোঁজ শিশুর পরিবার জানান, ঈদ উপলক্ষে বুধবার বিকালে পরিবারের সবাই ল্যাংড়া বাজার এলাকার যমুনা নদীর তীরে ঘুরতে আসি। এসময় রাবেয়ার বাবা এরশাদ আলী রাবেয়াকে বালুবাহী ভলগেটের উপর দাঁড় করিয়ে ছবি তুলতে গেলে রাবেয়া নদীতে পড়ে যায়। সেখানে অতিরিক্ত ভলগেট থাকায় ও নদীতে স্রোত বেশি থাকায় আমরা চেষ্টা করেও তার কোন খোঁজ পায়নি। পুলিশ এবং টাঙ্গাইল ও ভূঞাপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধারের চেষ্টা চালালেও অতিরিক্ত ভলগেট থাকায় রাত ৯টার দিকে উদ্ধার কাজ স্থগিত করে চলে যান তারা ।

তারা বলছেন, ভলগেট সরিয়ে দেয়ার কথা বললেও তারা সরিয়ে দেয়নি। পরের দিন দুপুরে ভলগেট সরিয়ে দিলো তারা। যখন শিশুটি নদীতে পড়েছিলো তখন ভলগেট সরিয়ে দিলে তার সন্ধান পাওয়া যেত।

কেন ঘটনার দিন ভলগেট সরানো হয়নি এমন প্রশ্নের জবাবে নাম অনিচ্ছুক ভলগেটের এক কর্মী জানান, যারতার কথায় এখান থেকে ভলগেট সরানোর অনুমতি আমাদের নেই। যাদের কথামতো এখানে ভলগেট রাখা হয়েছে তারা না বললে এখান থেকে ভলগেট সরানো যাবেনা। দুপুরের দিকে ভলগেট আমাদের সরিয়ে দিতে বলেছে,আমরা সরিয়ে দিয়েছি।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অভিসার আল-মামুন বলেন,একটি শিশু নদীতে পড়েছে এমন খবর পাওয়া মাত্রই টাঙ্গাইল ও ভূঞাপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা শিশুটিকে উদ্ধারের আপ্রান চেষ্টা চালায়। কিন্তু অতিরিক্ত ভলগেট থাকায় উদ্ধার কাজে সমস্যা হওয়ায় রাত ৯টা থেকে উদ্ধার কাজ স্থগিত রাখা হয়। পরের দিন ভলগেট সরিয়ে দিলে আবারো উদ্ধার কাজ পরিচালনা করা হয়। তবে নিখোঁজ শিশুর কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.