ব্রেকিং নিউজ

বিশ্ব মানের কফি বাংলাদেশে, কৃষিমন্ত্রী

কৃষি মন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেন; ধান নির্ভর কৃষির পাশাপশি অপ্রচলিত লাভবান কৃষির দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। ধানের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না ফলে কৃষক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। কফি,কাজুবাদাম,অ্যাবোকাডোসহ বিভিন্ন অধিক মূল্যের ফসল চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে কৃষকদের।

  বুধবার মন্ত্রণালয়ে মাননীয় মন্ত্রীর অফিসকক্ষে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান North End (Pvt) Ltd এর ম্যানেজিং ডাইরেক্টর রিক হার্বাড (Mr.Rick Hubbard) সাক্ষাত করতে আসলে  এসব কথা বলেন।

Mr.Rick Hubbard বলেন; আমরা ২০১১ সালে বান্দরবানের রুমা উপজেলায় কৃষকদের মাধ্যমে ৫০০টি কফি গাছের চারা দিয়ে কফি চাষ শুরু করি। বর্তমানে সাজেক ভ্যালিসহ আমাদের মোট গাছের সংখ্যা ১ লাখ ৫০ হাজার টি। বিগত দুই বছর যাবত সম্পূর্ণ বাংলাদেশের কফি বাজারজাত করছি এবং রপ্তানি করছি। North End  এবং FAOমনে করে বাংলাদেশের কফি বিশ্ব মানের। এটার চাষ পরিবেশের জন্য উপযোগি পানি কম লাগে,পোকামাকড় ও রোগজীবাণূর আক্রমন নেই। কফি গাছ ৩ বছর বয়স থেকে ফলন দেয় এবং ৯০ বছর পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।এছাড়া কফি প্রসেসিং মেশিন এর দাম ছিল মাত্র ৫শ ডলার বর্তমানে FAO এই মেশিন ফ্রি দিচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন; আমরা কফি উৎপাদন করছি এবং এটার উৎপাদন বাড়ানোর জন্য কাজ করছি। এর জন্য আমরা কিছুসংখ্যক কৃষকদের ভিয়েতনামে পাঠাবো হাতে কলমে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য। আমরা চাই কৃষিজাত পন্য রপ্তানি করতে, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে।

Mr.Rick বলেন, আমাদের কফি রপ্তানির ক্ষেত্রে ডিউটি ফি কমানো হলে আমাদের এই ব্যবসার জন্য ভালো হবে। এর প্রেক্ষিতে মন্ত্রী জানান কৃষিজাত পন্যের ওপর সরকার প্রণোদনা দিয়ে থাকে সেক্ষত্রে কফিকেও এর আওতায় আনা হবে। তিনি North End কে সবধরনের  সহযোগিতা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এছাড়া ভিয়েতনাম থেকে উন্নত জাতের কফি চারা এনে দেশে চাষ করা হবে।

প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন; Mr. Ariel Marr, Chief Operatin Officer; Mr. Mostafa Hossain Farrazi,Strategic Advisor And Hill tract Coffee Project Coordinator.

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.