ব্রেকিং নিউজ :

সখীপুরে থ্যালাসেমিয়ার আক্রান্ত তালহাকে স্বপ্নছোঁয়া ফাউন্ডেশনের উপহার ১৭ ব্যাগ রক্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের সখীপুরে রক্তদানে অনেকটাই এগিয়ে স্বপ্নছোঁয়া ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনটির গত দুই মাসে স্বেচ্ছায় রক্তদানের পরিমাণ অর্ধশতাধিক ব্যাগ ।

তালহার ১৮ মাস বয়স থেকে এ পর্যন্ত ২০ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয়েছে। আর ১৭ ব্যাগ রক্ত ব্যবস্থা করে পাশে দাঁড়িয়েছে স্বপ্নছোঁয়া ফাউন্ডেশন।

“তালহা” বয়সটা প্রায় ৪ বছর। তার পরিবার সখীপুর পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা । থ্যালাসোমিয়া রোগে আক্রান্ত ছেলেটি। বয়স যখন ১৮ মাস তখন থেকে এই রোগের সাথে তার ঘনিষ্ঠতা বেড়েই চলেছে। ডাক্তারের পরামর্শে রক্তের যোগান দিতে দিশেহারা পরিবার। প্রতি মাসেই প্রয়োজন হয় ১ (এক) ব্যাগ (O+ ve) রক্ত। বয়স এবং শারীরিক গঠনে ছোট থাকার কারনে সখীপুরে তাঁর রক্ত দেওয়ার ব্যবস্থা না থাকায় প্রথমত টাঙ্গাইলের একটি ক্লিনিকে তাঁর রক্তের যোগান দেওয়া শুরু হয় ১৮ মাস বয়স থেকে। প্রথম ২ মাসে দুই ব্যাগ রক্ত তার শরীরে প্রবেশ করানোর পর তাঁর পরিবার যখন রক্তের খুজে দিশেহারা তখন দেখা মেলে আব্দুস সাত্তার ভিপি,(সাদমান সাদি) নামের এক স্বেচ্ছাসেবীর সাথে। তখন থেকে তালহার সকল রক্ত ব্যবস্থা করার দায়িত্ব নেয় সখীপুরের একটি সামাজিক সংগঠন স্বপ্নছোঁয়া ফাউন্ডেশন। এ সংগঠনের প্রতিষ্ঠিতা সাদমান সাদি । সেই দিন থেকে শুরু হয়েছে রক্ত দেওয়া। কখনো ১ মাস আবার কখনো ২ মাস অন্তর অন্তর নিয়মিত তালহাকে রক্তের যোগান দিচ্ছে স্বপ্নছোঁয়া ফাউন্ডেশনের নিয়মিত রক্তদাতারা।

ডাক্তারের পরামর্শে আজ ছিলো ২০তম রক্ত দেওয়ার তারিখ। এই নিয়ে স্বপ্নছোঁয়া ফাউন্ডেশন তাঁকে দিয়েছে ১৭ ব্যাগ রক্ত। তালহার পরিবার নিউজ টাঙ্গাইলকে জানায়, এই ফাউন্ডেশনটি তালহার রক্তের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে নিয়মিত রক্ত দিয়ে যাচ্ছেন ফাউন্ডেশনের রক্তদাতারা। তাঁদের কারনেই আমাদের ছেলের জন্য সঠিক সময়ে রক্তের যোগান দিতে পেরেছি। এই সংগঠনের সকলের প্রতি রইলো অনেক দোয়া। তালহার দীদা বলেন – আল্লাহ অনেক ভালো করবো এই পোলাগো।

তালহার  চিকিৎসক জানায়, ২০ ব্যাগ রক্ত দেওয়ার পর শুরু হবে তালহার পুরোপুরি চিকিৎসা। আজ ২০ ব্যাগ পূর্ন হলো। অতি দ্রুত তালহাকে দেশের বাইরে নিয়ে চিকিৎসা শুরু করা হবে। তালহা এখন বড় হয়ে উঠছে তাই এখন সখীপুরেই তার শরীরে রক্ত প্রবেশ করানো হয়। আমরা তালহার সার্বিক সুস্থতা কামনা করছি।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.