ব্রেকিং নিউজ

টাঙ্গাইলে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন দুই যুবক

নিউজ টাঙ্গাইল ডেস্ক : টাঙ্গাইলে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন দুই যুবক। সুস্থ হওয়ায় বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল তাদের ছাড়পত্র দেয়। গত ১৫ এপ্রিল থেকে তারা টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনাভাইরাস আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি ছিলেন।

সুস্থ যুবকরা হলেন- জেলার ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের জিগাতলা গ্রামের আবু সাইদ ও নাগরপুর উপজেলার পানান গ্রামের মোহাম্মদ আলী।

মোহাম্মদ আলী ও আবু সাইদ জানান, দুজনেই ঢাকায় চাকরি করতেন। ১৪ এপ্রিল তাদের করোনা পজিটিভ বলে জানানো হয়। পরে ১৫ এপ্রিল থেকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়। সেখানে ১৫ দিন থাকার পর বুধবার সুস্থ হয়ে বাড়ি চলে যায়।

তারা আরও জানান, করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের ভয় পাওয়া কোন কারণ নেই। আদা দিয়ে বেশি বেশি গরম পানি পান ও ডাক্তারদের পরামর্শ মেনে চললেই অতি দ্রুত এই ভাইরাস থেকে সুস্থ হওয়া যায়।

টাঙ্গাইল জেলারেল হাসপাতালে আবাসিক চিকিৎসক মো. শফিকুল ইসলাম সজীব জানান, আল্লাহর রহমতে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিট থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে দুই যুবক বাড়ি ফিরেছেন।

এতে তারা অনেক উৎসাহ পেয়েছেন। ভবিষ্যতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের চিকিৎসা দিতে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা প্রস্তুত আছেন বলেও তিনি জানান।

………………………………………………………..

আরও পড়ুন:- ভূঞাপুরে নতুন করে একজন করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত

প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল ২০২০: ভূঞাপুরে নতুন করে একজন করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তার বাড়ি উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের চরনিকলা গ্রামে। গত মঙ্গলবার রাতে জেলা সিভিল সার্জন ওয়াহীদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, নতুন আক্রান্ত ব্যক্তি গাজীপুরের সফিপুরে একটি ওয়েলডিংয়ের দোকানে কাজ করেন। সেখান থেকে শ্বাসকষ্ট নিয়ে ১৫ দিন আগে বাড়ি ফেরেন তিনি। এরপর ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার শরীরের নমুনা পরীক্ষা করা হলে করোনার অস্তিত্ব পাওয়া যায় নি।

পরে তিনি নিজেই টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে আবার করোনা পরীক্ষার জন্য তার নমুনা দেয়। সেখানেও করোনার অস্তিত্ব পাওয়া যায় নি। গত ২৫ এপ্রিল সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর খাজা ইউনুছ আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তৃতীয় বারের মতো তার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। সেখান থেকে মঙ্গলবার রাতে তার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট আসে। যাতে করোনা পজেটিভ।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা মহীউদ্দিন আহমেদ জানান, নতুন আক্রান্ত ওই ব্যক্তি হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন। তার বাড়িসহ আশপাশের চারটি বাড়ি লকডাউন করেছে জেলা প্রশাসন।

তিনি জানান, এ নিয়ে উপজেলায় মোট ছয় জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে দুই জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.