টাঙ্গাইলের যৌনকর্মীরা করোনাকালে খুব কষ্টে দিন পার করছে

নিউজ টাঙ্গাইল ডেস্ক: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মহামারিতে দুই মাস ধরে লকডাউনে অবরুদ্ধ টাঙ্গাইলের যৌনপল্লি। আয়ের উৎস বন্ধ থাকায় চরম সংকটে দিন পার করছেন সেখানে বসবাসকারীরা। দুবেলা দুমুঠো খেয়ে জীবন বাঁচাতে সরকারের কাছে অর্থ সহায়তা চান তারা।

এক বাসিন্দা জানান, ‘বাচ্চার ৩ দিন ধরে জ্বর, ঘরে দুধ নেই খাবার নেই । বড় মানুষের খাবার নাই বলা যায় কিন্তু শিশুর খাবার নাই এটা তো বলা যায় না। খুব কষ্টে দিন যায় ভাই।’ মায়ের এই আর্তনাদই বলে দেয় কতটা অসহায় করোনাকালে তাদের জীবন । শুনশান চারিদিক। প্রায় সাড়ে পাঁচশকর্মী ও তাদের পরিবার পরিজনের আবাসস্থল টাঙ্গাইলের এই যৌনপল্লী রূপ নিয়েছে ভুতুড়ে এক নগরীতে ।

তারা জনান,’ আমার জীবনটা খুব কষ্টে চলছে। সামনে যে কি হবে জানি না।মরা মতো বেঁচে আছি। ঈদ বলে কিছু মনে হয়নি।’ টাকা নেই, ঘরে নেই খাবার। দুবেলা দুমুঠো খেয়ে বেঁচে থাকায় বড় চ্যালেঞ্জ। যৌনকর্মীরা জানান,’আমাদে এখন কান্না ছাড়া কিছু নাই। অনেক কষ্টে বেঁচে আছি । কাউকে বুঝতে দেই না।’

গত তিন মাসে জনপ্রতি মাত্র ৪০ কেজি চাল ও নগদ ৫শ টাকা ছাড়া আর কোন সহায়তা জোটেনি। নারী মুক্তি সংঘের কার্যকরী সদস্য বেবী আক্তার বলেন, ‘লকডাউন তিন মাস ধরে। মেয়েরা বন্দি। পাঁচশ’ টাকা আর ৩০ কেজি চাল দিয়ে কি তিন মাস চলে।’

খাদ্য সহায়তাসহ তাদের নগদ সহায়তার বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে বলে জানালেন জেলা প্রশাসক। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম জানান, ‘প্রতিজনকে ৫০০ টাকা করে দিয়েছি। আমাদের প্রায় আড়াই লাখ টাকা দিয়েছি। এটা সকরারের বরাদ্দ ছিল।’

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.