ব্রেকিং নিউজ :

ব্যাপকহারে পোশাকশ্রমিক ছাঁটাই, এরপর কি?

করোনা মোকাবিলা করে চীন ও ভিয়েতনাম যেখানে পোশাকখাতে রফতানি বাড়িয়েছে, সেখানে বাংলাদেশ হারিয়েছে তার অর্ধেক বাজার। লকডাউনেও কঠোরভাবে সচেতনতা মেনে কারখানা খোলা রাখায় সাফল্য পেয়েছে ভিয়েতনাম।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের ক্রয়াদেশ ভিয়েতনামে যাওয়া ঠেকাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে, বৈশ্বিক চাহিদার ওপর ভিত্তি করে উৎপাদন বাড়ানো না গেলে, মুখ থুবড়ে পড়বে দেশের পোশাক শিল্প।

বিশ্বে করোনা মোকাবিলায় সবচেয়ে সফল দেশ ভিয়েতনাম। চীনের সঙ্গে দীর্ঘ সীমান্ত থাকার পরও কঠোরভাবে বিধিনিষেধ মেনে চলায়, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পাশাপাশি অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখতে পেরেছে দেশটি। ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর, লকডাউন ঘোষণা হলেও, খোলা রাখা হয় তৈরি পোশাক কারখানাগুলো। ইউরোপ-আমেরিকায় মাস্ক-পিপিই উপহার পাঠিয়ে নতুন কৌশলে বাজার ধরেছে দেশটি।

ভিয়েতনামে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজ বলেন, ভিয়েতনাম বিভিন্ন দেশকে ফেস মাস্ক ডোনেশন করে গার্মেন্টস পোশাক হিসেবে।

বিজিএমইএ-র তথ্য বলছে, গেলো মে মাসেই কেবল ৬২ শতাংশ পোশাক রফতানি কমেছে। ক্রয়াদেশ চলে যাচ্ছে ভিয়েতনাম ও চীনে।

বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি আনোয়ারুল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, আগামী দুমাস পরে বাংলাদেশ সেই পরিমাণ উৎপাদন ক্ষমতা থাকবে না। অনেক কারখানা এমনিই বসে যাবে কাজ না থাকার কারণে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ অবস্থায় উৎপাদন না বাড়িয়ে শ্রমিক ছাঁটাই ডেকে আনতে পারে বড় বিপর্যয়।

গবেষক ও অর্থনীতিবিদ ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, নতুন বাজারে পণ্য পাঠানোর চেষ্টা করতে হবে। উৎপাদন ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে।

তারা আরো বলছেন, কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে নতুন নতুন বাজার সৃষ্টি করা ও বৈশ্বিক চাহিদা অনুযায়ী রফতানি করা না গেলে আগামীতে আরও প্রকট হবে পোশাক খাতের সংকট।

নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.