ব্রেকিং নিউজ :

সখীপুর ঘাটেশ্বরী-নয়া পাড়া সড়ক ! চলাচলে হাজারো মানুষের দুর্ভোগ

এম সাইফুল ইসলাম শাফলু: টাঙ্গাইলের সখীপুরে চলতি বর্ষায় দক্ষিণ ঘাটেশ্বরী – নয়া পাড়া কদমাক্ত এ সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন চলাচলকারী ১০টি গ্রামের হাজারো মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বর্ষার এলেই এই চার কিলোমিটার সড়কে মানুষের চলাচল হয়ে পড়ে স্থবির । সড়কটি পাকা করণের দাবি নিয়ে ইউনিয়ন , উপজেলা পরিষদ ও স্থানীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনে বারবার ভোট দিয়েছেন ভূক্তভোগী গ্রামের হাজারো মানুষ। কিছুতেই কিছু হয়নি। তাদের এ প্রাণের দাবি বাস্তবায়নে জনপ্রতিনিধিরা বারবার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। এলাকার কৃষক, পোল্ট্রি খামারি ও অন্যান্য ব্যবসায়ীরা তাদের কৃষিপণ্যসহ সকল মালামাল নিয়ে প্রতিনিয়তই ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

মঙ্গলবার সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার বহেড়াতৈল ইউনিয়নের দক্ষিণ ঘাটেশ্বরী – নয়া পাড়া এ সড়কটি দিয়ে ঘাটেশ্বরী, আমবাগ, খোলাবাড়ী, দোপারচালা, নয়াপড়াসহ ১০টি গ্রামের ৮ থেকে ১০ হাজার মানুষ প্রতিদিন সখীপুর উপজেলা শহর এবং জেলা শহর টাঙ্গাইলে যাতায়াত করে থাকেন। জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি সামান্য বৃষ্টিতে কাদায় থইথই হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সিএনজি, অটো রিক্সা এমনকি ভ্যানও চলেনা। পায়ে হেটে যাতায়াতে কাদাযুক্ত রাস্তায় অনেকে আচড়ে পড়ছেন। কাপড়চোপড় নষ্ট হয়ে অনেকে গন্তব্যস্থানে যেতে পারছেন না। গর্ভবতী মাসহ রোগী বহনের অ্যাম্বুলেন্স, আগুন নির্বাপক ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি চলাচলের কথা চিন্তাই করা যায়।

ওই সড়কে চলাচলকারী মো. আমিনুল ইসলাম অন্তর, মাহবুব আলম, আবুল কালামসহ আরো একাধিক ব্যক্তি একই সুরে বলেন, সড়কটি পাকাকরণ আমাদের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবী। প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনপ্রতিনিধিরা বারবার ভোট নেন। পরবর্তীতে আর খোঁজ থাকে না। তারা বলেন, শুনেছি সড়কের কোড নম্বর বসেছে। কবে নাগাদ কাজ শুরু হবে তারা জানেন না।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফেরদৌস বলেন, সড়কটি অত্যন্ত জনবহুল এবং গুরুত্বপূর্ণ। চলাচলকারী ১০টি গ্রামের হাজারো মানুষের সড়কটি পাকাকরণের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। তিনিও সড়কটি দ্রুত পাকাকরণের দাবি জানান।

জানতে চাইলে উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. ফরিদ আহম্মেদ সড়কটি পাকা করনের কাজ টাঙ্গাইল প্রজেক্টের আওতায় নেয়া হয়েছে বলে জানান।

 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.