ব্রেকিং নিউজ :

টাঙ্গাইলে শিশুদের উপবৃত্তির টাকা হাতানোর অভিযোগ

নিউজ টাঙ্গাইল ডেস্কঃ মোবাইল ব্যাংকিং চ্যানেলে পাঠানো টাঙ্গাইলের শিশু শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা বেহাত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জেলার শিশু শিক্ষার্থীদের অভিভাবকসহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা বেশ কিছুদিন ধরে এ নিয়ে উৎকন্ঠায় রয়েছেন। প্রতারকরা কৌশলে ছয় ডিজিটের একটি ওটিপি জেনে নিয়ে এ টাকা হাতিয়ে নেয় বলছেন তারা।

কালিহাতী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম বলেন, প্রধান শিক্ষক, উপজেলার সহকারী শিক্ষা অফিসারসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে বলে শুনেছি।

প্রতিকার হিসেবে মোবাইলে কাউকে অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য না দিয়ে সরাসরি অনুমোদিত নগদের এজেন্টের কাছ থেকে টাকা উত্তোলন করার পরামর্শও দেন এই উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।

টাঙ্গাইলে ১ হাজার ৬২৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ২৯টি এবতেদায়ি মাদ্রাসার দুই লাখ ৬৫ হাজার ৪৯৪ জন শিক্ষার্থী এ উপবৃত্তির টাকা পাচ্ছে বলে জানান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের মনিটরিং অফিসার মো. আছাদুল্ল্যাহ।

প্রতি মাসে প্রাক-প্রাথমিক পড়ুয়া শিশুদের প্রতি মাসে ৭৫ টাকা এবং প্রথম থেকে প্ঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের ১৫০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান এ মনিটরিং অফিসার।

মোবাইল ব্যাংকিং ‘নগদ’-এর কাস্টমার কেয়ার কর্মী পরিচয়ে একটি চক্র এ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। বিভিন্ন মোবাইল নম্বর থেকে এসব ফোন করছে প্রতারকরা বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

কালিহাতী উপজেলার বড় ইছাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীর মারিয়ার বাবা আব্দুল মালেক বলেন, অফিসের পরিচয় দেওয়ায় আমি সরল বিশ্বাসে ওই ওটিপি কোডটি বলি কিন্তু বুঝতে পারিনি ওটা ডিজিটাল বাটপারের ফোন ছিল।

কালিহাতী উপজেলার সাতুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনা নাছরিন ও বর্তা সরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুন্নাহার জানান, বেশ কয়েকজন অভিভাবক তাদের কাছে অভিযোগ করেছে তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা নাই।

এরপর থেকে অভিভাবকদের সতর্ক করা হচ্ছে-তারা যেন কেউ গোপন কোড নম্বর চাইলে না দেন বলে জানান তারা।

"নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.