আট জেলায় লকডাউনের সুপারিশ

নিউজ টাঙ্গাইল ডেস্ক, অনলাইন | দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ার কারণে ভারতের সীমান্তবর্তী সাত জেলায় লকডাউনের সুপারিশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিশেষজ্ঞ কমিটি। এ বিষয়ে রোববার (৩০ মে) সিদ্ধান্ত হতে পারে জানিয়ে রোগতত্ত্ব ও জনস্বাস্থ্য–বিষয়ক কমিটি। এরইমধ্যে সাত জেলাকে কঠোর নজরদারির মধ্যে রেখেছে সরকার। সাম্প্রতিক সময়ে ওই জেলাগুলোতে করোনার সংক্রমণ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

কমিটির একজন সদস্য বলেছেন, শনিবার (২৯ মে) এক বৈঠকে বিশেষজ্ঞ কমিটি নওগাঁ, নাটোর, সাতক্ষীরা, যশোর, রাজশাহী, কুষ্টিয়া ও খুলনা জেলায় লকডাউনের সুপারিশ করেছে। এসব জেলায় সংক্রমণ বেশি। এ ছাড়া নোয়াখালী ও কক্সবাজারের সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে কমিটি।

এ সুপারিশ রোববার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়ে জানাবে বিশেষজ্ঞ কমিটি। মন্ত্রণালয়ে এদিন বিকেলে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে সাত জেলার লকডাউনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। করোনার সংক্রমণ পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ২৪ মে রাত থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় এক সপ্তাহের লকডাউন দেওয়া হয়েছে।

এদিকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসায় পুরো দেশে চলমান বিধিনিষেধ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর চিন্তা করছে সরকার। এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন পেলে রোববারই এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হবে বলে জানা গেছে।

এর আগে রোববার মধ্যরাত পর্যন্ত বিধিনিষেধ বাড়ানো হয়েছিল। সর্বশেষ ওই বিধিনিষেধে বন্ধ থাকা সব দূরপাল্লার গণপরিবহন অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচলের অনুমতি পেয়েছিল। এরপর থেকে আন্তজেলাসহ সব ধরনের গণপরিবহন (বাস, ট্রেন ও লঞ্চ) চলছে। এছাড়াও হোটেল-রেস্তোরাঁ ও খাবার দোকানসমূহে আসন সংখ্যার অর্ধেক সেবাগ্রহীতাকে সেবা প্রদানের সুযোগ রাখা হয়।

চলতি বছর করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ৫ এপ্রিল থেকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত ঢিলেঢালা লকডাউন হলেও সংক্রমণ আরও বেড়ে যাওয়ায় ১৪ এপ্রিল থেকে ‘কঠোর লকডাউন’ ঘোষণা করে সরকার। পরে সিটি করপোরেশন এলাকায় গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দেয়া হয়। তবে দূরপাল্লার বাস, লঞ্চ এবং ট্রেন চলাচল ঈদ পর্যন্ত বন্ধ ছিল। পরে ২৪ মে থেকে গণপরিবহন চলাচল শুরু হয়েছে।

"নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.