ব্রেকিং নিউজ :

১২৪ জনের জীবন বাঁচানো ক্যাপ্টেন আতাউল কাইয়ুমকে বাঁচানো গেলোনা

নিউজ টাঙ্গাইল ডেস্ক: মধ্য আকাশে হার্ট অ্যাটাক করার পরও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজটিকে ভারতের নাগপুরে জরুরি অবতরণ করিয়ে ১২৪ জনের জীবন বাঁচানো পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইয়ুমকে বাচানো গেল না।হার্ট অ্যাটাক করার পর মস্তিস্কে প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে কোমায় চলে যান তিনি। সবশেষ আজ সোমবার (৩০ জুলাই) ভারতের নাগপুরে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।  মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৪ বছর।

ক্যাপ্টেন নওশাদ মারা  যাওয়ার বিষয়টি নিউজ টাঙ্গাইলকে নিশ্চিত করেছেন বিমান বাংলাদেশের জনসংযোগ কর্মকর্তা তাহেরা খন্দকার। তিনি বলেন, ক্যাপ্টেন নওশাদ মারা গেছেন। তারা মরদেহ আনার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

গত ২৭ আগস্ট শুক্রবার সকালে ওমানের মাস্কাট থেকে বাংলাদেশগামী বিমান বাংলাদেশের একটি ফ্লাইটের পাইলট ছিলেন নওশাদ। বিমানটি ভারতের আকাশে থাকা অবস্থায় তিনি হার্ট অ্যাটাক করেন। তখন দক্ষতার সঙ্গে ভারতের মহারাষ্ট্রের নাগপুরের ড. বাবা সাহেব আম্বেদকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটিকে জরুরি অবতরণ করাতে সক্ষম হন নওশাদ ও তার কো-পাইলট। বিমান ও বিমানে থাকা ১২৪ জন যাত্রীর কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। বিমান অবতরণের সঙ্গে সঙ্গেই নওশাদকে দ্রুত ককপিট থেকে বের করে স্থানীয় হোপ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। টেস্ট করানোর পর জানা যায়, তিনি হার্ট অ্যাটাক করেছেন এবং মস্তিস্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে।

শনিবার রাতে ক্যাপ্টেন নওশাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। তিনি কোমায় চলে যান। এরপর তাকে সম্পূর্ণ ভেন্টিলেশনে নেওয়া হয়। শুক্রবারই আরেকটি ফ্লাইটে করে আট সদস্যের একটি উদ্ধারকারী দল নাগপুরে যায়। মধ্যরাতের পর বিমানটিকে যাত্রীসহ ঢাকার বিমানবন্দরে নিয়ে আসা হয়।

ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইয়ুম ১৯৭৭ সালের ১৭ অক্টোবর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২০০২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে পাইলট হিসেবে যোগদান করেন।

"নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।