ব্রেকিং নিউজ :

গোপালপুরে বিদ্যুৎ সংকটে চরম ভোগান্তির শিকার ৮০ হাজার গ্রাহক

গোপালপুর প্রতিনিধি: গোপালপুর উপজেলার ৮০ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক ব্যাপক লোডশেডিংয়ের কারণে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছে। ২৪ ঘণ্টায় বিদ্যুতের সেবা মিলছে মাত্র চার-পাঁচ ঘণ্টা। পৌর শহরের উল্লেখযোগ্য এলাকা ব্যতীত গ্রাম পর্যায়ে বন্ধ রাখা হচ্ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ। এতে রাতের প্রায় সময়ই অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকছে উপজেলার প্রায় ১৫৮টি গ্রাম। আর এ অসহনীয় পরিস্থিতি চলছে টানা নয় দিন ধরে।

জানা যায়, ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ গোপালপুর জোনালের মাধ্যমে এ উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। এখানে গ্রাহকের প্রয়োজন ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। কিন্তু বর্তমানে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১০ মেগাওয়াট। দিনের বেলায় বিভিন্ন ফিডারে লোড ম্যানেজমেন্ট করে নামমাত্র বিদ্যুৎ দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জামালপুরে অবস্থিত দুইটি বেসরকারি পাওয়ার প্ল্যান্ট প্রায় ২১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। উৎপাদিত এ বিদ্যুৎ পিডিবি লোড ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে শেরপুর, জামালপুর ও টাঙ্গাইল জেলায় বিতরণ করে। কিন্তু বর্তমানে এই দুটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কারখানার একটি পাওয়ার প্ল্যান্ট গ্যাস সংকটসহ যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ রয়েছে। অপরটি কোনরকম চালু থাকায় আংশিক উৎপাদন হচ্ছে। এতে উত্তর টাঙ্গাইলের প্রায় তিন লক্ষাধিক গ্রাহক বিদ্যুৎ সংকটে অসহনীয় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

পল্লী বিদ্যুতের গোপালপুর জোনালের এজিএম তাহসিন ইলিয়াস বলেন, জামালপুর পিডিবি গ্রিড সাবস্টেশন প্রথমে জামালপুর ও শেরপুর জেলায় তাদের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করে থাকে। পরে সেখান থেকে ৩৩ কেভি লাইনের মাধ্যমে টাঙ্গাইলের পাঁচটি উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে।

ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি গোপালপুর জোনালের ডিজিএম মজিবুল হক চলমান বিদ্যুৎ দুর্ভোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তীব্র বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সম্মানিত গ্রাহকগণকে ধৈর্য ধারণে অনুরোধ করছি। আশা রাখছি দুই-চার দিনের মধ্যে এ সংকট কেটে যাবে। তাছাড়া পার্শ্ববর্তী উপজেলা ঘাটাইলের পাকুটিয়া চামড়া বাজার সংলগ্ন পিডিবির একটি গ্রিড সাবস্টেশন নির্মাণের কাজ চলছে। এটি চালু হলে টাঙ্গাইলের বিদ্যুৎ গ্রাহকরা আর জামালপুর কেন্দ্রিক নির্ভরশীল থাকবে না।

"নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.