ব্রেকিং নিউজ :

বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় টাঙ্গাইলের কৃতি সন্তান

বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় টাঙ্গাইলের কৃতি সন্তান মোঃ কামরুজ্জামান ( সোহাগ)। তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ১নং মগড়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের চৌরা কররা গ্রামের ছেলে।তার বাবা মোঃ শাহজাহান আলী ও মাতা মোছাঃ কোহিনুর বেগম।

অ্যালপার ডগার (এডি) ইনডেক্সের প্রকাশিত বিশ্বসেরা গ‌বেষকদের তালিকায় এ বছর স্থান পেয়েছেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) ২০০৭-০৮ সেশনের (৫ম ব্যাচ) ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স (সিপিএস) বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী এবং বাংলাদেশ পুলিশের উপপরিদর্শক মোঃ কামরুজ্জামান (সোহাগ)। বর্তমানে তিনি উপপরিদর্শক হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এ প্ল্যানিং অ্যান্ড রিসার্চ-২ শাখায় কর্মরত রয়েছেন। ‌মোঃ কামরুজ্জামান ২০১৮ সা‌লে ৩৬ তম ক্যাডেট ব্যাচের অ‌ফিসার হি‌সে‌বে বাংলাদেশ পু‌লি‌শে যোগদান করেন।

তালিকায় স্থান পাওয়া মাভাবিপ্রবির ১৪ জন গবেষকের মধ্যে স্থান পেয়েছেন এসআই মোঃ কামরুজ্জামান (সোহাগ)। তিনি এ তালিকায় ল অ্যান্ড লিগ্যাল স্টাডিজ ক্যাটাগরির ক্রিমিনোলজি, ভিকটিমোলজি এবং এ সংক্রান্ত বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ও বাংলাদেশে ১ম, এশিয়ায় ৫৭তম এবং বিশ্বে ১৩৫৪তম অবস্থানে আছেন।

এ বিষয়ে তার মন্তব্য প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাধবিজ্ঞানে পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতন ও সমাজকে অপরাধ মুক্ত করতে গবেষণা চালিয়েছেন। গবেষণা সংক্রান্ত বিভিন্ন সময়ে তার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছে পাওয়াতে তিনি আরও উৎসাহিত হন এবং শিক্ষকদের প্রতি অভিরাম ভালোবাসা প্রকাশ করেন।এ নিয়ে তিনি ৬ বছর যাবত গবেষণা করে আসছেন। কর্মজীবন শুরু করেও তিনি তার গবেষণা কার্যক্রম চলমান রেখেছেন এবং আগামীতেও দেশের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, পুলিশের সার্বিক সংস্কার ও আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে এসকল গবেষণা তিনি চলমান রাখবেন।

আরও তথ্য নিয়ে জানা গেলো, তিনি ছাত্রাবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় ও স্থানীয় পত্রিকায় লেখালেখি করতেন।তিনি সমাজকে নতুন এক উজ্জ্বল ভবিষ্যত গড়ার লক্ষ্যে তার গ্রামের একটি গ্রন্থাগার স্থাপন করেন।আর সেটি হলো বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার। বর্তমানে এক ঝাঁক তরুণ ও কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্ররা গ্রন্থাগারটি পরিচালনা করেন। এক সাক্ষাৎকারে জনাব মোঃ কামরুজ্জামান সাথে আলাপচারিতা হলে তিনি বলেন,সমাজে তরুণরা হচ্ছে আমাদের ভবিষ্যৎ। তাই তরুনদের বিভিন্ন দিক বিবেচনা করেই এ সমাজে যাতে অপরাধ থেকে দূরে আসে তাই বই পড়ার বিকল্প নেই।একটি ভালো বই যাতে তাদের সুন্দর জীবনের পাশাপাশি তারাও যেনো সমাজে সুশীল সমাজে পরিনত করতে পারে।এর পাশাপাশি গ্রামের মানুষ শিক্ষার আলোতে আলোকিত হয় সেই লক্ষ্যই কাজ করা।

এদিকে সর্বশেষ রবিবার (১০ অক্টোবর) পর্যন্ত পাওয়া তথ্যমতে, এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স নামের আন্তর্জাতিক সংস্থা সারা বিশ্বের ১৩ হাজার ৫৩১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত লক্ষাধিক বিজ্ঞানীর সাইটেশন এবং অন্যান্য ইনডেক্সের ভিত্তিতে এ তালিকা প্রকাশ করে। যেখানে বিশ্বের ৭ লাখ আট হাজার ৪৮০ জন গবেষকের মধ্যে স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের ১ হাজার ৭৯১ জন।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাকি ১৩ জন গবেষক এই তালিকায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে স্থান পেয়েছেন এবং তারা সকলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক।

"নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.