টাঙ্গাইলে আ.লীগ নেতা ফারুক হত্যা মামলায় আরও একজনের সাক্ষ্য গ্রহণ

নিউজ টাঙ্গাইল ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় এক পুলিশ কনস্টেবল আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে তিনি সাক্ষ্য দেন।

ওই কনস্টেবলের নাম মামুনুর রশীদ। তিনি এ মামলার জব্দ তালিকার সাক্ষী। এর আগে ফারুক হত্যা মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা শেষ হয়।

সাক্ষ্য দেওয়ার সময় মামুনুর রশীদ বলেন, ফারুক আহমেদের লাশের ময়নাতদন্তের সময় তাঁর দেহ থেকে একটি গুলি উদ্ধার করা হয়। তিনি সেই গুলি থানায় নিয়ে গিয়েছিলেন। গুলি ছাড়াও মামলার বিভিন্ন আলামত তাঁর সামনেই জব্দ করা হয়। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে তাঁকে আসামি ও বাদীপক্ষের আইনজীবীরা জেরা করেন।

এ সময় মামলার কারাবন্দী আসামি সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি এবং জামিনে থাকা আসামি সাবেক সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইলের কলেজপাড়া থেকে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্টে আনিসুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলী নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ।

এরপর গ্রেপ্তার দুজন আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তৎকালীন সাংসদ আমানুর রহমান খান, তাঁর তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সানিয়াত খান জড়িত বলে জানান।

নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.