মঙ্গলবার, এপ্রিল ২১, ২০২৬
Homeজাতীয়বাংলাদেশে অনুকরণযোগ্য জনপ্রতিনিধি অধ্যাপক ডাঃ হাবিবে মিল্লাত এমপি

বাংলাদেশে অনুকরণযোগ্য জনপ্রতিনিধি অধ্যাপক ডাঃ হাবিবে মিল্লাত এমপি

মোঃ জহির রায়হান, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জ জেলার সদর ও কামারখন্দ উপজেলাকে নিয়ে সিরাজগঞ্জ-২ আসন গঠিত। কিছুদিন পূর্বে নির্বাচন কমিশন বহুলী ইউনিয়নকে কাজিপুর আসনের সাথে সংযুক্ত করে। অধ্যাপক ডাঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্না এমপি সদর ও কামারখন্দের প্রতিটি ইউনিয়ন, প্রতিটি ওয়ার্ড এবং পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডকে নির্বাচনী কেন্দ্র ভিত্তিক কাজ করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি সপ্তাহের প্রায় তিন দিন সিরাজগঞ্জে অবস্থান করে আ’লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে বর্তমান সরকার ও তার উন্নয়ন প্রকল্প সমূহের উপস্থাপনা ও বিগত ২০০১ ও ১৯৯১ সালের নির্বাচনে কীভাবে ভোট কারচুপি হয়েছে তা ডাটাবেজের মাধ্যমে প্রজেক্টর দ্বারা জনগণ ও নেতৃবৃন্দের নিকট উপস্থাপন করে যাচ্ছেন।

অধ্যাপক ডাঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্না সিরাজগঞ্জের আপামর জনসাধারণের নিকট দল,মত, পথের উর্দ্ধে উঠে জননেত্রী শেখ হাসিনার বিশ্ব সমাদৃত মডেল “ জনগণের ক্ষমতায়ন” এর বাস্তবায়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আ’লীগ ও তার অঙ্গসংঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ভোটকেন্দ্র ভিত্তিক কমিটি গঠন ও তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছেন। পোলিং এজেন্টদের তালিকা প্রস্তুুত করে নির্বাচনের দিন করণীয় সম্পর্কে নিবিড় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছেন।

সকাল হতে রাত পর্যন্ত জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌছে ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়নের জন্য আ’লীগ সরকারের পরিকল্পনা জনগণের নিকট উপস্থাপন করে যাচ্ছেন। কামারখন্দ উপজেলা ছিল একটি অবহেলিত জনপদ। অধ্যাপক ডাঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্না এমপি কামারখন্দ উপজেলার উন্নয়নের জন্য অবকাঠামোগত ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য রেকর্ড পরিমাণ পরিশ্রম ও সময় ব্যয় করছেন। তার প্রতিশ্রুত উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ আজ দৃশ্যমান।

তিনি সদর উপজেলা আ’লীগ ও তার অঙ্গসংঠনের সাথে মত বিনিময়ের সময় বলেন- “আমি সিরাজগঞ্জ শহরে জন্মগ্রহণ করেছি, এখানে লেখাপড়া করেছি, শৈশব ও কৈশোর কালীন সময় সিরাজগঞ্জ শহরের আনাচে-কানাচে ঘুড়ে বেরিয়েছি, ফলে সিরাজগঞ্জের সকল জনগণ আমার আত্মার আত্মীয়। তাদের জীবন মান উন্নয়ন ও সিরাজগঞ্জ জেলাকে একটি উন্নত জেলা হিসাবে গড়ে তোলার জন্য আমি কাজ করে যাচ্ছি। শিল্পপার্ক ও ইকোনোমিক জোনের বাস্তবায়ন হলে লক্ষ লক্ষ বেকার যুবকের কর্ম-সংস্থানের সৃষ্টি হবে। প্রকল্প দুটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সরকারের বিভিন্ন মহলে জোর তদবীর করছি। তৃণমূল আ’লীগ যদি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে, তবে সিরাজগঞ্জে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত। আ’লীগ সরকার উন্নয়নে ও জনগণের জীবনমানের পরিবর্তনে বিশ্বাসী”।

নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।

RELATED ARTICLES

Most Popular