নিজস্ব প্রতিবেদক: টাঙ্গাইলের বাসাইলে ১৯৯৪ সালের চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি নুরু ৮ বছর আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে গ্রেফতার হয়েছেন। শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) ভোরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সূত্রাপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৪)।
হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি নুরু উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের সাকনাইর চর গ্রামের মৃত আব্দুল আলীর ছেলে। তিনি মামলার রায় ঘোষণার আগে থেকেই পলাতক ছিলেন।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৪) সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী অধিনায়ক রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের জানান, একদল র্যাব সদস্য গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নুরুকে গ্রেফতার করে। সে নুরু টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানার ১৯৯৪ সালে দায়েরকৃত একটি হত্যা মামলার আসামি ছিলেন।
এরপর ২০১৫ সালের ১৫ অক্টোবর টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালত নুরুকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে। অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদন্ড দেওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, মামলাটি বিচার চলাকালীন সময়ই নুরু পলাতক ছিলেন। তিনি যাবজ্জীবন সাজা থেকে বাঁচার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি না করে গাজীপুরের জয়দেবপুর ও কালিয়াকৈর ৮ বছর ধরে আত্মগোপনে ছিলেন এবং তিনি নিজেকে নাজমুল নামে পরিচিত দিতেন। গ্রেফতারের পর নুরুকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি আসল পরিচয় স্বীকার করেন। পরে তাকে বাসাইল থানায় হস্তান্তর করা হয়।
