গত ০৮/০৮/২০২২ তারিখ দুপুর অনুমান ০২:০০ ঘটিকার সময় ডিসিস্ট আরিফ মিয়া তাহার কালো-লাল রংয়ের রেজি: বিহীন ১৫০ সিসি পালসার ডবল ডিক্স মোটর সাইকেল নিয়ে বাড়ি হতে বাহির হয়ে যায়। উক্ত তারিখ রাত ০৯.০০ টার পরে ডিসিস্ট মো: আরিফ মিয়া তার বোনকে ফোন করে জানায় সে সকালে বাড়ি আসবে। পরের দিন সকাল বেলা ডিসিস্ট আরিফ বাড়িতে না ফিরে আসায় তার ব্যবহৃত মোবাইল বন্ধ পাওয়ায় বাদীর স্ত্রী, মেয়ে ও ভাইয়েরা আত্মীয় স্বজনসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজা খুঁজি করেও কোন সন্ধান না পাওয়ায় ডিসিস্টের পিতা হোসেন বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় এজাহার দায়ের করিলে নাগরপুর থানার মামলা নং-০৮ তারিখ-১৯/০৮/২০২২ খ্রিঃ ধারা-৩৬৪ পেনাল কোড ১৮৬০ রুজু হয়।
উক্ত মামলার ঘটনাটি ক্লু-লেস হওয়ায় কারনে জনাব মোঃ সাজ্জাদ হোসেন অফিসার ইনচার্জ নাগরপুর থানা টাঙ্গাইল মামলার রহস্য উঘাটন করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহৃত রাখেন। নাগরপুর থানার একটি চৌকস টিম নিরন্তর প্রচেষ্টার মাধ্যমে অতিদ্রুত সময়ে ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে হত্যার সাথে জড়িত ব্যক্তির অবস্থান সনাক্ত পূর্বক আসামী ১। মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়া (৩৩), পিতা- আলহাজ্ব উদ্দিন দারোগ আলী, সাং- নঙ্গিনাবাড়ী, থানা- নাগরপুর, জেলা- টাঙ্গাইলকে নাগরপুর থানা এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত আসামী মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়া জানায় যে, সে ডিসিস্টি আরিফকে ফুসলিয়ে বাড়ি হতে বের করে নিয়ে হত্যা করে তার ব্যবহৃত মোটর সাইকেলটি অপর আসামী মো: হাফিজুর রহমান রনি এর নিকট বিক্রয় করে। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্য মতে আসামী মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়া কে সহগামী করে মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া থানাধীন তিল্লি ব্রীজের নিচে ছন-কাশিয়ার মধ্যে হতে ডিসিস্ট আরিফ হোসেন এর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে একই আসামীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ডিসিস্ট আরিফ এর ব্যবহৃত পালসার মোটরসাইকেলটি নাগরপুর থানা এবং ডিবি (দক্ষিন), টাঙ্গাইলের চৌকস টিমের সমন্বয়ে ধৃত অপর আসামী ০২। মোঃ হাফিজুর রহমান রনি(৩৩), পিতা- মোকছেদুর রহমান, সাং-দুল্লা, থানা- দেলদুয়ার, জেলা-টাঙ্গাইল এর দেখান মতে কালিহাতি থানাধীন বেহালাবাড়ী বাজারস্থ বাবুর মনোহারী দোকানের সামনে বৈল্লা বাজার হইতে রতনগঞ্জ বাজারগামী পাকা রাস্তার পাশে হতে উদ্ধার করেন। আসামী ১। মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়া (৩৩) হত্যার সাথে জড়িত থাকার বিষয়ে নিজের দোষ স্বীকার করে ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন এবং বিজ্ঞ আদালত আসামীদ্বয়কে জেল হেফাজতে প্রেরণ করেন।
