ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় প্রতিবেশীর গরু চুরি করে মাংস বিক্রির সময় উপজেলা চেয়ারম্যানের ভাতিজা কায়কোবাদ ভূঁইয়া (৩৫) হাতেনাতে আ’টক করেছে আখাউড়া থানা পুলিশ। তবে এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এরশাদ মিয়া নামে মাংস দোকানিসহ আরও কয়েকজন পালিয়ে যায়।
সোমবার (১৩ জুন) ভোররাতে পৌরশহরের বড় বাজারে এ ঘটনা ঘটে। আটককৃত কায়কোবাদ ভূঁইয়া আখাউড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাশেম ভূঁইয়ার ভাতিজা।
জানা গেছে, উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের ছোটকুড়ি পাইকা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হাকিম মাস্টার কোরবানি দেয়ার জন্য একটি ষাঁড় লালনপালন করছিলেন। পাশের বাড়ির কায়কোবাদ ভূঁইয়া গভীর রাতে গোয়ালঘর থেকে গরুটি চুরি করেন। পরে সঙ্গীদের নিয়ে রাতেই গরুটি জবাই করে ভোররাতে আখাউড়া পৌরশহরের বড় বাজারের মাংসের দোকানি এরশাদ মিয়ার কাছে বিক্রি করতে নিয়ে যান।
আখাউড়া থানার এসআই নুপুর কুমার দাস জানান, চোরাই গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করার খবর পেয়ে ওই মাংসের দোকানে ভোররাতে অভিযান চালায় টহল পুলিশ। এসময় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের ভাতিজা কায়কোবাদ ভূঁইয়াকে মাংসসহ দোকানে হাতেনাতে আ’টক করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্যরা সটকে পড়ে।
আখাউড়া থানার ওসি মিজানূর রহমান যমুনা নিউজকে জানান, চুরি করে জ’বাই করা গরুর ১০৫ কেজি মাংসের তিনটি বস্তাসহ একজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। জ’ব্দকৃত ওই মাংসের বাজার মূল্য ৭৩ হাজার ৫০০ টাকা। চু’রি যাওয়া গরুর চামড়াসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করে পুলিশ।
অভিযুক্ত কায়কোবাদ ভূঁইয়াকে গ্রে’ফতার দেখিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে ওসি জানিয়েছেন।
