এই প্রশ্নের জবাবে বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ বলেন, ” যদি পরবর্তী সময়ে মেয়ের অভিভাবক আপনাকে অনুমতি দেয়, সে অনুমতির মাধ্যমে বিয়েটি বৈধ সাব্যস্ত হয়েছে।
প্রথমে ভুল ছিল, পরে অনুমোদন দেওয়ার কারণে এটি বৈধ হয়ে গেছে। যেহেতু অনুমতির ওপর এটি মওকুফ ছিল, স্থগিত ছিল। অনুমতির মাধ্যমে সেটি বৈধতা লাভ করেছে। সুতরাং আপনাদের এই বিয়ে শুদ্ধ হয়ে গেছে এবং বর্তমানে এর জন্য আপনাদের আর কিছু করার দরকার নেই। এই বিয়ের বৈধতা রয়েছে।”
