সখীপুর প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কালিদাশ কলিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৯ ছাত্রকে বেধড়ক পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার বিদ্যালয় চলাকালীন এ ঘটনা ঘটে।
ছাত্ররা জানায়, অভিনব কায়দায় ঐ ছাত্রদের অফিস রুমে ডেকে এনে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে সহকারি শিক্ষক সাইফুল ইসলাম ও নবাব আলী বেধড়ক ভাবে বেত দিয়ে পিটায়। এ ঘটনায় কয়েক ছাত্রকে স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনা অন্য কাউকে জানালে স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হবে এমনটি ভয় দেখিছেন অভিযুক্ত ঐ দুই শিক্ষক।
জেএসসি পরিক্ষার্থী মো সোহাগ জানান, আমরা একটি স্থানীয় জঙ্গি ও মাদক বিরোধী ক্লাব করেছি, প্রতিষ্ঠাতা উপজেলা দূনীতি দমন কমিশন কমিটির সদস্য ও আওয়ামী সাংস্কৃতি জোটের যুগ্ম আহবায়ক কানিছ ফাতেমা আপা। আপার সঙ্গে ঐ দুই শিক্ষক ব্যক্তিগত বিরোধ রয়েছে। সে কারণে আমাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে মিথ্যার অপবাধ দিয়ে আমাদেরকে একজন একজন করে অফিসে ডেকে এনে বেধম পিটায়। এ ঘটনা কাউকে জানালে স্কুল থেকে বহিষ্কার করবে আরও বলেছেন কেউ কোন পরীক্ষায় ভাল ফল করতে পারবি না।
এসএসসি পরীক্ষার্থী শাহীন বলেন, ঐ দুই স্যার আমাদের প্রতিনিয়মিত হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। কোথাও কোন অভিযোগ দিলে এসএসসি পরীক্ষা দিতে পারবো না। নির্বাচনী পরীক্ষায় অকৃতকার্য করবে।
দূনীতি দমন কমিশন কমিটির সদস্য ও আওয়ামী সাংস্কৃতি জোটের যুগ্ম আহবায়ক কানিছ ফাতেমা বিউটি বলেন, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে কথা বলায় কমিটির সভাপতির নির্দেশে ও আমাকে ছত্রভঙ্গ করার জন্য আমার ক্লাবের সদস্যদের প্রতি অমানবিক নির্যাতন করেছেন। ছাত্ররা কোন ভুল করলে অভিভাবকদের ডাকবে। তাই এভাবে দেধড়ক ভাবে পিটাবে?
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হোসেন আলী বিএসসি মোবাইল ফোনে বলেন, বেত দেখিয়ে ভয় দেখানো হয়েছে। কোন ছাত্রকে পিটানো হয় নাই। এ বিষয়ে আর কোন কথা বলবে না বলে কল কেটে দেন।
বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গাীর আলম বুলবুল বলেন, প্রধান শিক্ষক আমাকে মোবাইলে ফোনে বিষয়টি অবগত করেছেন। এ জন্য শনিবার অভিভাবক ও শিক্ষকদের নিয়ে মিটিং ডেকেছি।
