শনিবার, এপ্রিল ১৮, ২০২৬
Homeটাঙ্গাইল জেলাটাঙ্গাইল সদরঅশালিন মন্তব্য করায় টাঙ্গাইলে শিক্ষককে পেটাল ছাত্রীরা

অশালিন মন্তব্য করায় টাঙ্গাইলে শিক্ষককে পেটাল ছাত্রীরা

নিজস্ব প্রতিনিধি: ছাত্রীদের নিয়ে নানা রকম আপত্তিকর মন্তব্য করায় এক শিক্ষককে পিটিয়ে আহত করেছে টাঙ্গাইলের বিন্দুবাসিনী সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শিক্ষক বিদ্যালয়ের সহকারি ইংরেজী শিক্ষক সাঈদুর রহমান বাবুল। সে কালিহাতী উপজেলার পারখী গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে।

দীর্ঘদিন ধরেই ক্লাশের ছাত্রীদের অশালিন মন্তব্য ও কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। রোবাবারও (৩০ সেপ্টেম্বর) নবম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে কু-প্রস্তাব দেয়। ওই দিনই সকল ছাত্রীরা প্রধান শিক্ষককে বিষয়টি জানায়। কিন্তু প্রধান শিক্ষক মামুন তালুকদার অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো ছাত্রীদের স্কুল থেকে বের করে দেয়ার ভয় দেখিয়ে স্বাক্ষর নেন।

স্কুল ছুটি শেষে ছাত্রীরা তার অভিভাবকদের জানালে সোমবার সকালে অফিস কক্ষে বিদ্যালয়ের সহকারি ইংরেজী শিক্ষক সাঈদুর রহমান বাবুলকে অবরুদ্ধ করে রাখে। অবস্থা বেগতিক দেখে সাঈদুর কৌশলে পালানোর চেষ্টা করে। পরে বিদ্যালয়ের ছাত্রী ও অভিভাবকরা সাঈদুরকে ধরে পিটুনি দেয়। এতে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

শিক্ষার্থীরা জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই সাঈদুর রহমান বাবুল তাদের বিভিন্ন ভাবে কু-প্রস্তাব ও অশালিন মন্তব্য করে আসছিল। বিষয়টি একাধিকবার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মামুন তালুকদারকে জানানোর পরও তিনি কোন ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ করা হয়। এ নিয়ে রোববার সকালে তারা (ছাত্রী) ক্লাশে আসলে প্রধান শিক্ষক এসে তাদের স্কুল থেকে বের করে দেয়ার ভয় দেখিয়ে সাঈদুর রহমান বাবুলের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই বলে স্বাক্ষর নেয়। পরে তারা সোমবার সকালে ক্লাস বর্জন করে ওই শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখে। তারা সাঈদুর রহমান বাবুল ও প্রধান শিক্ষক মামুন তালুকদারের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানায়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মামুন তালুকদার জানান, শিক্ষার্থীদৈর দাবীর প্রেক্ষিতে সাঈদুর রহমান বাবুলকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।

RELATED ARTICLES

Most Popular