কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েও এখনো চা বিক্রি করেন রাজ্জাক

নিউজ টাঙ্গাইল:;জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে যাওয়ার পর জনসাধারণের মাঝে সার্বক্ষণিক মিশে থাকার ঘটনা খুব একটা চোখে পড়ে না। কেবল নাটক, সিনেমা, গল্পে বা বিজ্ঞাপনে চোখে পড়ে এমন দৃশ্য। কিন্তু এমন ঘটনা বাস্তবেও দেখা যায় টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে। আবদুর রাজ্জাক চায়ের দোকানদার থেকে ওয়ার্ড কাউন্সিলর হওয়ার পরও ছেড়ে দেননি পৈতৃক সূত্রে পাওয়া পেশা। জনসাধারণও ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিষয়টি।
সাধারণ চোখে দেখে মনে হবে একজন দোকানি চা সরবরাহ করছেন জনগণকে। কিন্তু এ লোকটির আরো বড় পরিচয় আছে। টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পরপর ২ বারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। তিনি আবদুর রাজ্জাক।
সাত সদস্যের পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুব একটা ভালো ছিল না। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও ছোটবেলা থেকে বাবার চায়ের দোকানে বসার কারণে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের গল্পগাথা শুনেছেন খুব কাছ থেকে। তাই জনসেবার জন্য জনপ্রতিনিধি হওয়া।
কাউন্সিলর হলেও সাদামাটা জীবন যাপনে আসেনি পরিবর্তন। সময় পেলেই ঘুরে আসেন ভোটারদের বাড়ি বা কর্মস্থলে। চায়ের দোকান আয়ের মূল উৎস হলেও গবাদিপশু পালন করেন বাড়িতে। জীবনে উন্নতির পর অতীতকে ভুলে যান অনেকেই। কিন্তু আবদুর রাজ্জাকের উঠে আসার সিঁড়িটি পরম যত্নে আঁকড়ে থাকাকে প্রশংসা করছেন এলাকাবাসী।
১৯৯৬ সালে এসএসসি পাসের পর কলেজে ভর্তি হলেও আর পড়াশোনা হয়ে ওঠেনি। তাই শিক্ষার প্রতি আলাদা দুর্বলতা তার। গত পর্বে এলাকায় শতভাগ বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়াসহ নানা উন্নয়নকাজ করেছেন। সদা হাস্যোজ্জ্বল আব্দুর রাজ্জাক মনে করেন, জনগণের মুখপাত্র কখনই এলাকাবাসী থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারেন না। তার চায়ের দোকানটিতে শুধু কেনাবেচা, আড্ডাবাজি নয়। মাঝে মাঝে হয়ে ওঠে কাউন্সিলর কার্যালয়ও।
এই ধরনের আরও খবর
- Advertisment - 📰 নিজেই তৈরি করুন প্রফেশনাল নিউজ ফটো কার্ড! ছবি ও শিরোনাম যোগ করুন, তৈরি করুন এবং HD ডাউনলোড করুন। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। এখনই তৈরি করুন → Powered by News Tangail

সর্বশেষ খবর