নিউজ টাঙ্গাইল ডেস্ক: ক্যাসিনোসহ নানা অপকর্মের দায়ে অভিযুক্ত ঢাকা দক্ষিণের কাউন্সিলর এ কে এম মমিনুল হক সাঈদ দেশে ফিরেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। ডিসিসি নির্বাচনে আবারও কাউন্সিলর পদে প্রতিন্দ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছেন। এজন্য মনোনয়নপত্রও জমা দিয়েছেন যুবলীগ থেকে বহিস্কৃত এ নেতা।
ক্যাসিনোকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে অনেকেই এখন ‘ক্যাসিনো সাঈদ’ বলেই ডাকেন। শুদ্ধি অভিযানের আগে তিনি মালয়েশিয়া যান। এরপর আর দেশে ফেরেননি। বিদেশে থাকা অবস্থায় তার বিরুদ্ধে বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে পুলিশের বিশেষ শাখা। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) একটি মামলাও করে।
গত ২৭ ডিসেম্বর গোপনে সাঈদ দেশে ফিরেছেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে। তিনমাস পরে তিনি দেশে ফিরেছেন। আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে তিনি আবারও ঢাকা দক্ষিণের ১৯ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে প্রতিন্দ্বন্দ্বিতা করতে চান। সূত্র জানায়, কোনো কারণে তার মনোনয়ন অনিশ্চিত হলে তার পরিবর্তে স্ত্রী ফারহানা আহম্মেদ বৈশাখীকে প্রার্থী করা হবে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, তারা সাঈদকে খুঁজে পাচ্ছে না। তবে সাঈদ নির্বিঘ্নে রাজধানীতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। দলের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে বলেও জানা যায়। তবে সাঈদের দাবি, তিনি নিজের জন্য কিছুই করেননি। যা করেছেন, দল এবং খেলাধুলার জন্য করেছেন। তার সঙ্গে ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
সাঈদের বিরুদ্ধে দুদকের করা মামলা থেকে জানা যায়, তিনি অসৎ উদ্দেশে নিজ ক্ষমতার অপব্যবহার করে ক্যাসিনোসহ অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছেন। এসবের মাধ্যমে তিনি ৪ কোটি ৪৭ লাখ ৬৬ হাজার টাকা অর্জন করেছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
দুদকের এ মামলাকেও ‘ভিত্তিহীন’ দাবি করেছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিস্কৃত এ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ও আরামবাগ ক্লাবে ক্যাসিনো চালু করে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ আছে।
