শুক্রবার, মে ১, ২০২৬
Homeদেশের খবরগাজীপুরে যৌতুকের জন্য গৃহবধূ খুন

গাজীপুরে যৌতুকের জন্য গৃহবধূ খুন

গাজীপুরে যৌতুকের জন্য এক গৃহবধূকে মারধর করে ও মুখ থেঁতলে খুন করেছে তার স্বামী। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছে। নিহতের নাম রাবেয়া বশরী (২০)। সে গাজীপুর সদর উপজেলার ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের নলজানী মধ্যপাড়া এলাকার আফজাল হোসেনের (২২) স্ত্রী।

নিহতের মা নিলুফা ও স্বজনরা জানান, ২০১৮ সালে ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের নলজানী মধ্যপাড়া এলাকার ফজলুল হকের বেকার ছেলে আফজাল হোসেনকে ভালবেসে বিয়ে করেন প্রতিবেশী জহিরুল ইসলামের মেয়ে রাবেয়া। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের জন্য রাবেয়াকে তার বেকার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন নানাভাবে নির্যাতন করে আসছিল। এর জের ধরে বুধবার রাতেও রাবেয়াকে তার স্বামী বেধড়ক মারধর করে এবং চুল ধরে দেয়ালের সঙ্গে মাথা উপর্যুপরি ঠুকিয়ে রাবেয়ার মুখ থেঁতলে দেয়। এতে সে জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এ ঘটনার পর রাত ১১টার দিকে আফজালের বাবা মোবাইল ফোনে জানান, স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার একপর্যায়ে রাবেয়া অসুস্থ হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন। পরে রাতেই রাবেয়াকে গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নেয়া হয়। পরে অবস্থার উন্নতি না হলে সেখান থেকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাবেয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। রাবেয়া নিঃসন্তান ছিল।

জয়দেবপুর থানার ওসি মোঃ জাবেদুল ইসলাম জানান, পারিবারিক ঝগড়ার কারণে স্বামী তার স্ত্রীকে মারধর করেছে। মাথায় হেমারিংয়ের কারণেই রাবেয়া বশরীর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে আসল ঘটনা জানা যাবে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী আফজাল হোসেনসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছে।

বগুড়ায় বন্ধু: স্টাফ রিপোর্টার বগুড়া অফিস থেকে জানান, গাবতলী উপজেলায় দুই বন্ধুর লুডু খেলা নিয়ে বিরোধে এক বন্ধুর ছুরিকাঘাতে মানিক (২২) নামে অপর এক বন্ধু খুন হয়েছে। পুলিশ বুধবার রাতে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিসহ নিহত মানিকের বন্ধু নাহিদকে (২২) গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ জানায়, দুই বন্ধু মানিক ও নাহিদের বাবা গাবতলী উপজেলা সদরের বাজারে চা বিক্রি করেন। দুই বন্ধু চায়ের দোকানে কাজ করে আসছিল। দুই বন্ধু কাজের ফাঁকে লুডু খেলে। বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তারা লুডু খেলছিল। এক পর্যায়ে খেলা নিয়ে দু’ জনের মধ্যে ঝগড়া বাঁধে। এ সময় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে নাহিদ বন্ধু মানিককে ছুরিকাঘাত করে। এতে সে গুরুতর আহত হয়। স্থানীয় লোকজন আহত মানিককে উদ্ধার করে বগুড়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে সে মারা যায়।

কক্সবাজারে তরুণী: স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার থেজে জানান, চকরিয়ায় এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে অটোরিক্সা থেকে কোণাখালী মরংঘোনা সড়কে ফেলে দেয় কতিপয় দুর্বৃত্ত। পথচারীরা দেখে থানায় খবর দেয়। উদ্ধারকৃত লাশ কক্সবাজার সদর ঝিলংজা কোনপাড়ার রুহুল আমিনের মেয়ে চম্পার (১৮)। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে মরংঘোনা সড়ক থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্টে মাথায় আঘাতে চিহ্ন পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

চকরিয়া থানার ওসি বলেন, অটোরিক্সা করে মেয়েটি চট্টগ্রাম থেকে খরুলিয়ায় যাচ্ছিল। পথে কে বা কারা মেয়েটিকে হত্যা করেছে এবং কেন এই হত্যা তা তদন্তের পর জানা যাবে।

তরুণী চম্পার বাবা বাবা রুহুল আমিন অভিযোগ করে বলেন, আমার বোন তার ছেলেকে চম্পাকে বিয়ে দেইনি বলে এ প্রতিশোধ নিয়েছে। আমার বোন ও ভাগিনা আমার মেয়েকে চট্টগ্রামে নিয়ে যায় দুই মাস আগে। চম্পা বুধবার বিকেলে কক্সবাজারে চলে আসছিল। আমার সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করতে করতেই আসছিল। কিন্তু কেরানীহাট আসার পর তার সঙ্গে শেষ যোগাযোগ, তারপর আর কথা বলতে পারিনি। রাত সাড়ে ১০টার দিকে মেয়ের লাশের খবর পাই।

সূত্র: জনকণ্ঠ

নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।

RELATED ARTICLES

Most Popular