বৃহস্পতিবার, জুন ২৫, ২০২৬
Homeটাঙ্গাইল জেলানাগরপুরটাঙ্গাইলে ধর্ষণের শিকার হয়ে মা হতে চলছে কিন্তু বাবা হচ্ছে না কেউ

টাঙ্গাইলে ধর্ষণের শিকার হয়ে মা হতে চলছে কিন্তু বাবা হচ্ছে না কেউ

নিউজ টাঙ্গাইল ডেস্ক: টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার বাদে ভূগোলহাটের মোকছেদ সেকের মেয়ে লিপি আক্তার ধর্ষণের শিকার হয়ে মা হতে চলছে কিন্তু বাবা হচ্ছে না কেউ।

লিপি বলেন, আমি আমার সন্তানের পিতার পরিচয় চাই এবং দোষীর শাস্তি চাই। লিপি গত বছরের ১৬ জুন তারিখে শুক্রবার করিম সেকের ছেলে মাসুদুল সেক ওরফে মাসুদের দ্বারা করিম সেকের ঘরে ধর্ষণের শিকার হয় বলে ধর্ষিতা অভিযোগ করে নারী ও শিশু নির্যাতন পি: ৪২৬/১৮ ধারা :- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী/ ২০০৩ এর ৯(১) ১৩/৩০ এর স্মারক নং ৪১৭/না:শি:টাং তারিখ ২১/১০/২০১৮ ইং । মামলায় লিপি নিজে বাদী হয়ে মাসুদ সেক ও আম্বিয়াকে বিবাদী করে মামলা দায়ের করেন।

আভিযোগে বাদী বলেন, বিবাদী প্রেমের ফাদে সহযোগী আম্বিয়ার সহায়তায় ডেকে এনে বিবাদীর নিজ বসত বাড়ীতে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে ফলে বাদী গর্ভবতী হয়। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর তদন্ত দাখিললকারী ডিবি আফিসার কমল সরকারের প্রতিবেদনে বলা হয়, “ডা. মোসা: গুল এ আনার সিনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি) এবং ডা. জিনাত রহমান এমবিবিএস বিসিএস (স্বাΖ) ডিডিভি মেডিকেল আফিসার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল টাঙ্গাইলের মতে লিপি ২০ সপ্তাহের গর্ভবতী।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, বিষয়টি নিয়ে গ্রামের মাতাব্বরা আপোস করে এক লাখ আশি হাজার টাকা জরিমানা করে মাসুদকে এবং ১৫০টাকা মূল্যের ষ্ট্যাম্পে সে আপোসনামা লিখে নোটারি পাবলিক করা হয়। ঘটনার বিষয়ে বাদীর পিতার সাথে কথা বললে তিনি বলেন, এমন ঘটনার সঠিক বিচার চাই আমি।

বিবাদী মাসুদুল সেক ওরফে মাসুদের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি বলেন, বিষটি আমি শুনেছি, কিন্তু আমি এর সাথে জড়িত নই। আমি শুনেছি শাহিনূরের সাথে লিপির সম্পর্ক ছিল। শাহিনূরের কথামতে তার দ্বারাই লিপি গর্ভবতী হয়েছে। আমিও চাই লিপির সন্তান তার পিতার পরিচয় পাক। আমার প্রতি যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। অনাগত বাচ্চার ডিএনএ পরিক্ষার প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি সর্বাত্মক সহায়তা করতে প্রস্তুত আছি কারণ আমি প্রকৃত দোষী নই। এ বিষয়ে করিম সেক ও দাবি করেন তার ছেলে নির্দোষ।

অপর বিবাদী আম্বিয়া বলেন, ঐ মেয়েটির বেশ কয়েটি ছেলের সাথে সম্পর্ক ছিল বলে শুনেছি। কিন্তু আমার প্রতি আনিত আভিযোগ মিথ্যা।

বাদী, বিবাদীর পরিবার ও এলাকাবাসীর দাবি অসহায় এই মেয়েটির সন্তানের পিতার পরিচয় নিয়ে বেড়ে ওঠুক এবং প্রকৃত দোষীর শাস্তি হোক।

নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।

RELATED ARTICLES

Most Popular