নিউজ টাঙ্গাইল ডেস্ক:
টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে স্ত্রীকে তালাক দেয়ার পর তালাকের কাগজ গোপন রেখে স্ত্রীর সঙ্গে নিয়মিত দৌহিক সম্পর্ক বজায় রাখার অভিযোগ স্বামী সুজন মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে। স্ত্রী মামলার প্রেক্ষিতে শনিবার সকালে টাঙ্গাইলের ছয়আনি বাজার এলাকা থেকে সুজন মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।
জানা যায়, প্রায় তিন বছর পূর্বে দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামের ফজলু মিয়ার মেয়ে সীমা আক্তারের বিয়ে হয় টাঙ্গাইল সদরের করের বেতকা গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে সুজন মিয়ার সঙ্গে। পারিবারিকভাবে বনিবনা না হওয়ায় গত গত ৩০ মে সীমাকে গোপনভাবে তালাক দেয়। তালাকের কাগজ কৌশলে গোপন রেখে নিয়মিত স্ত্রী সীমার সঙ্গে দৈহিক মিলন করে। এক পর্যায়ে স্ত্রী সীমা আক্তার জানতে পারে সুজন তাকে অনেক আগেই তালাক দিয়েছেন। চাপের মুখে গত
২৪ অক্টোবর তালাকের কাগজ হাতে পান সীমার পরিবার। পরে গত ৩ নভেম্বর শুক্রবার সীমা স্বামী সুজনকে আসামী করে দেলদুয়ার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস. আই হান্নান সরকার জনান, শনিবার সকালে টাঙ্গালের ছয়আনী বাজার থেকে প্রতারক সুজনকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
