ফরমান শেখ- নিজস্ব প্রতিবেদক: পবিত্র ঈদুল ফিতর ঈদের বিশেষ দিনে মাংসের দোকানে দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লেগেই থাকে। ধনী-গরীব বা সাধারণ লোকজন কম-বেশি এই বিশেষ দিনে গরুর মাংস কিনে থাকেন। কিন্তু টাঙ্গাইলের গোপালপুরে তার ভিন্ন চিত্র। বৃষ্টির কারণে মাংস বাজারে হঠাৎ করে ক্রেতা সংকট। যার ফলে লোকসানের আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় পড়েন মাংস ব্যবসায়ীরা। এদিকে, মাইকিং করেও মিলছিল না ক্রেতা।
মঙ্গলবার (৩ মে) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সরেজমিনে উপজেলা পৌর শহরের পুরাতন পৌর চত্বর, কাঁচা বাজার, থানা মোড়, বাসস্ট্যান্ডসহ শহরের অসংখ্য স্থান গড়ে উঠা মাংস দোকানে ক্রেতা না থাকার বিষয়টি লক্ষ্য করা গেছে। মাংস কেনার জন্য দোকানে ক্রেতা না থাকায় অলস সময় পার করেন ব্যবসায়ীরা।
ঈদের এই বিশেষ দিনে হঠাৎ ক্রেতা সংকট দেখা দেয়ার বিষয়ে পৌর শহরের পুরাতন পৌর চত্বরের মাংস ব্যবসায়ী মো. এছাক আলী জানান, ঈদের দিন সকালে প্রচন্ড বৃষ্টি শুরু হয়। তারআগে ৫ টি গরু জবাই করি। তারমধ্যে বৃষ্টির আগেই ১ টি গরুর মাংস বিক্রি করে শেষ করা হয় খুব ভালভাবে।
তিনি আরও জানান, জবাই করা বাকি ৪ গরুর মাংস বিক্রিতে বৃষ্টির কারণে দোকানে দীর্ঘ সময় ক্রেতা সংকট দেখা দেয়। এ সময় হঠাৎ ক্রেতার দেখা না মেলায় দুশ্চিন্তায় পড়ে যাই। পরে বেলা বাড়ার সাথে সাথে বৃষ্টি কমতে শুরু করলে ধীরে ধীরে ক্রেতা সংকট অনেকটা দূর হয়। প্রতি কেজি ৬০০ টাকা দরে মাংস বিক্রি করা হচ্ছে।
মাংস ক্রেতা একাধিক মুসুল্লিরা জানান, সকালে ঈদের নামাজ শেষে মাংস কেনার জন্য যাওয়ার ইচ্ছে থাকলেও বৃষ্টির জন্য যেতে পারেনি। পরে দুপুরে মাংস কিনতে বাজারে যাই। অন্যান্য দিনের চেয়ে ঈদের দিনে কেজি প্রতি ৫০ টাকা কমে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। মাংস কিনতে লোকজন খুব কম দেখা গেছে।
নবাবী রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী ও স্থানীয় সংবাদকর্মী মো. নূর আলম জানান, মাংস ব্যবসায়ীরা ঈদ উপলক্ষে সকালে একাধিক গরু জবাই করে। বৃষ্টির কারণে মাংস ক্রেতা সংকটে হতাশায় পড়ে যায় তারা। দুপুরের দিকে বৃষ্টি কমলে ক্রেতা বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে মাংস বাজারে। তাছাড়া পাড়া-মহল্লায় মাংস সমিতি হওয়ায় মাংস কিনতে আসে না অনেকে।
