এম সাইফুল ইসলাম শাফলু : শরতের এই দিনে শীত অনুভূত হওয়ার কথা। কিন্তু উল্টো তীব্র গরমে পুড়ছে মানুষ। এরই মধ্যে সখীপুরে অহেতুক লোডশেডিং। একটানা এক ঘণ্টাও পাওয়া যাচ্ছে না বিদ্যুৎ। এই আসে তো, এই যায়। এমন অবস্থা চলছে রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা। গত ১৫ দিন ধরে চলছে বিদ্যুতের এই খামখেয়ালি, যা বলার জায়গাও নেই সখীপুর বাসীর। আকাশে মেঘ দেখামাত্র বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ করে দেয়া হয়। বৃষ্টি হলেতো কথাই নেই। ঘন্টার পর ঘন্টা দিনের পর দিন বিদ্যুতের দেখা মিলে না। তবে বিদ্যুতের এই আসা-যাওয়াকে লোডশেডিং মানতে নারাজ সখীপুর বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) কর্মকর্তারা।
ভূক্তভোগীদের অভিযোগ, ফোন করলেও পাওয়া যায় না বিদ্যুৎ অফিসের কাউকে। এক জনকে রিং দিলে বলে আরেক জনকে দিতে । বিদ্যুতের অসহনীয় লোডশেডিংয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এ উপজেলার ব্যবসায়ীসহ সর্বসাধারণ। বেশ কয়েকদিনের প্রচণ্ড গরমে বিদ্যুতের লোডশেডিং অসহনীয় অবস্থায় পৌঁছেছে এ উপজেলায়। করোনা মহামারিতে দীর্ঘদিন ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ থাকার পর এখন বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে বেচাকেনা হচ্ছে খুবই কম। সেই সঙ্গে নষ্ট হচ্ছে বৈদ্যুতিক উপকরণও। এতে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সব অবকাঠামো প্রায় ধ্বংসের পথে।
নবসৃষ্টি শিক্ষা পরিবারের অধ্যক্ষ রিফাত শারমিন রিতা বলেন, সকাল নেই, বিকাল নেই রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুতের আসা-যাওয়া। একটানা আধা ঘণ্টাও থাকে না বিদ্যুৎ। ক্লাস চলাকালীন সময়ে বিদ্যুতের বেলকিবাজিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা নাজেহাল। ভোরেও ঘুমানো যায় না। দিন যায় গরমে পুড়ে। সংবাদে দেশে এত বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা শুনি, তারপরও কেন এত লোডশেডিং এ প্রশ্ন তার।
এ ব্যাপারে সখীপুর বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) কর্মকর্তাদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে এ বিষয়ে তারা কোন সদোত্তর দিতে পারেননি। তবে পুরনো সঞ্চালন লাইন অতিরিক্ত লোড নিতে পারছে না এ কারণে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাধ্য হয়ে ফোর্সশেডিং করতে হচ্ছে দাবি তাদের।
