Homeবিবিধযে সব আমলেই রয়েছে বড় ফজিলত

যে সব আমলেই রয়েছে বড় ফজিলত

আমল যত ছোটই হোক আল্লাহর কাছে রয়েছে তার বড় ফজিলত। তাই কোনো ভালো কাজ বা আমলকেই ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। আর তা যদি হয় নামাজের মতো ইবাদত, তবে তার মর্যাদা আরো বেশি। হাদিসের ঘোষণায় এ রকমই প্রমাণিত। মানুষের শরীরের দিকে গভীরভাবে দৃষ্টিপাত করলে বুঝা যায়, একজন মানুষের শরীরে অসংখ্য জোড়া ও শিরা-উপশিরা রয়েছে।

আর এগুলোর শুকরিয়া আদায় করা প্রতিটি মানুষের জন্যই আবশ্যক। স্বাভাবিকভাবে কোনো ভালো কাজ করে এ সবের শুকরিয়া আদায় করে শেষ করা যাবে না। তাই প্রিয়নবী (সা:) মানুষের শরীরের মতো নেয়ামতের আমল নির্ধারিণ করে দিয়েছেন।

হাদিসে এসেছে, ‘যদি কোনো মানুষ কমপক্ষে ৪ রাকআত চাশতের নামাজ আদায় করে তবে তার শরীরের যাবতীয় নেয়ামতের হক আদায় হয়ে যাবে।’ এ রকম ছোট ছোট অনেক আমল রয়েছে যা পালনে সহজ কিন্তু উপকারিতা বিশাল। হাদিসে পাকে এ রকম অনেক সহজ আমল ঘোষণা করা হয়েছে।

অন্য হাদিসে এসেছে- হজরত উম্মে হাবীবা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রাতে ও দিনে ১২ রাকাআ’ত সুন্নাত নামাজ আদায় করে; আল্লাহ তাআলা (এ নামাজের) বিনিময়ে তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করবেন।

হজরত উম্মে হাবিবা রাদিয়াল্লাহু আনহা (নামাজগুলোর বিবরণ দিয়ে) বলেন যে, এ হাদিস শোনার পর থেকে কখনো আমি এ নামাজগুলো পরিত্যাগ করিনি। (মুসলিম)

নামাজগুলো হলো-

১. ফজরের ফরজের আগে ২ রাকাআত সুন্নাত নামাজ

২. জোহরের ফরজের আগে ৪ রাকাআত এবং পরে ২ রাকাআত সুন্নাত নামাজ

৩. মাগরিবের ফরজের পরে ২ রাকাআত সুন্নাত এবং

৪. ইশার ফরজের পরে দুই রাকাআত সুন্নাত নামাজ।

এ নামাজগুলো প্রতি ওয়াক্তে আদায় করা সবার জন্য এতই সহজ যে তা আদায়ে আলাদা কোনো কষ্ট করার প্রয়োজন হয় না। কেননা নির্ধারিত নামাজের ওয়াক্তের আগে ও পরে তা আদায় করা যায়। এ কারণেই প্রিয়নবী (সা:) উম্মতে মুহাম্মাদিকে লক্ষ্য করে বলেন, ‘তোমরা ছোট ছোট ইবাদতে একনিষ্ঠ হও। কারণ অল্প ও ছোট ছোট আমলগুলো পরকালের নাজাতের যথেষ্ট হবে।

RELATED ARTICLES

Most Popular