সজল আহমেদ: টাঙ্গাইলের সখীপুরে আমনের ভরা মৌসুমে সার ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধিতে দুশ্চিন্তায় কৃষক।ডিজেল ও ইউরিয়া সারের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে ফসল উৎপাদনে। একদিকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় ট্রাক্টর দিয়ে কৃষকের জমি চাষে খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে ইউরিয়া সারের দাম বাড়ায় সার কেনার খরচ বেড়েছ কৃষকের।
এ অবস্থায় কৃষক জমি চাষ করে ফসল উৎপাদনে হিমশিম খাচ্ছেন। ডিজেলের দাম বৃদ্ধির আগেই ইউরিয়া সারের দাম কেজি প্রতি ৬ টাকা বেড়েছে। ফলে উৎপাদন খরচ ও পরিবহন খরচ বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। এসবের দাম না কমলে চাষবাদ করতে হিমশিম খেতে হবে বলে অভিযোগ করেছে কৃষক।
জানা গেছে, সখীপুর উপজেলায় আগে ৫৬ শতাংশ (এক পাকী) জমি তিন চাষে ২৫০০-৩০০০ টাকা নেওয়া হতো। যেখানে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন গুণতে হচ্ছে ৩০০০ থেকে ৩৫০০ টাকা।
সুমন নামের একজন ট্রাক্টরচালক বলেন, ‘তেলের দাম বাড়াইছে; এখন তো আমাদের কোনো কিছু করার নেই। এহন বেশি দামে তেল কিনি হালচাষে বেশি টাকা নিচ্ছি।’
যাদবপুর ইউনিয়নের বোয়ালী গ্রামের কৃষক জাকির হোসেন বলেন, সার ও তেলের দাম বাড়ায় এখন চাষাবাদ ছেড়ে দিতে হবে এমন অবস্থা। কারণ ফলন উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে অন্যদিকে কৃষক তার ফসলের ন্যায্য দাম পাচ্ছে না। কৃষক যদি ধান চাষ না করে, তাহলে দেশের অবস্থা তো অনেক খারাপ হয়ে যাবে।
একই ইউনিয়নের নলুয়া এলাকার কৃষক জব্বার আলী বলে, হঠাৎ এই দাম বাড়ার ফলে এখন জমি আবাদ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সরকার যদি দাম কমায় তাহলে হয়তো স্বাভাবিকভাবে চাষাবাদ করতে পারবো।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিয়মতা বর্মন জানান, দাম বৃদ্ধিতে কৃষকদের ওপর প্রভাব পড়তে পাড়ে। সরকারিভাবে কৃষকদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করা হচ্ছে। তারা এই সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবে আশা করছেন বলে জানান তিনি
নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।
