বুধবার, জুন ১০, ২০২৬
Homeঅপরাধস্ত্রীকে শিক্ষা দিতে শ্বাশুড়িকে ধর্ষণ

স্ত্রীকে শিক্ষা দিতে শ্বাশুড়িকে ধর্ষণ

অনলাইন ডেস্ক: স্ত্রীকে শিক্ষা দিতে শ্বাশুড়িকে ধর্ষণ করে আইয়ুব আলী নামে এক লম্পট মেয়ের জামাই। পরে ওই ভিডিও ছেড়ে দেয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

এ ঘটনায় শ্বাশুড়ির অভিযোগে রোববার তাকে ঢাকার উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার করে মুক্তাগাছা থানা পুলিশ। পরে ওইদিন রাতেই ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানায় তাকে হস্তান্তর করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আইয়ুব আলীর বিরুদ্ধে সোমবার কোতোয়ালী মডেল থানায় ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফির দু’টি মামলা হয়েছে। সে মুক্তাগাছা উপজেলার চাপুরিয়া গ্রামের সিরাজ আলীর ছেলে।

থানা পুলিশ ও ধর্ষিতার পরিবার জানায়, উপজেলার চাপুরিয়া গ্রামের সিরাজ আলীর ছেলে মোটর চালক আইয়ুব আলীর সাথে দশ বছর আগে একই উপজেলার নরকোনা গ্রামের শাহজাহান মিয়ার মেয়ে শাহিদার বিয়ে হয়। এরই মধ্যে তাদের সংসারে আট বছরের একটি ছেলে সন্তানও রয়েছে। বছর দেড়েক আগে আইয়ুব আলী তার স্ত্রীকে যৌতুকের জন্য চাপ দেয়। যৌতুক না দেয়ায় স্ত্রীসন্তানকে তার শ্বশুর বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। এরপর কোনো ধরণের যোগাযোগ রক্ষা না করায স্ত্রী শাহিদা আক্তার স্বামীর বিরুদ্ধে ময়মনসিংহ আদালতে যৌতুক আইনে মামলা করেন। এ নিয়ে দু’টি পরিবারের মাঝে কয়েক বছর ধরেই চলছিল টানাপোড়ন ।

গত রমজান মাসে মেয়ের জামাতা আইয়ুব আলী তার ছেলের জন্য নতুন জামাকাপড় ও কিছু নগদ টাকা দিবে বলে শ্বাশুড়িকে ডেকে আনে মুক্তাগাছা শহরে। শ্বাশুরী তার কথা বিশ্বাস করে মুক্তাগাছা শহরে আসে। এরপর ভালো জামা কিনে দেবার কথা বলে শ্বাশুড়িকে নিয়ে যায় ময়মনসিংহ শহরের একটি আবাসিক হোটেলে। পরে সেখানে আটকে রেখে আইয়ুব আলী তার শ্বাশুড়িকে ধর্ষণ করে। এ সময় ওই চিত্র সে আবার গোপনে ভিডিও ধারণ করেও রাখে। মানসম্মানের ভয়ে শ্বাশুড়ি ঘটনাটি সে ওই সময় কাউকে জানায়নি। এরপর আরও কয়েকদিন লম্পট আইয়ুব আলী তার শ্বাশুরীকে ফোন করে ময়মনসিংহ যেতে বলে। তাতে সাড়া না দেয়ায় শ্বশুড় বাড়ির এক যুবকের ইমু নম্বরে মোবাইলে ধারণ করা ধর্ষণের ওই ভিডিওটি ছেড়ে দেয়।

নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।

RELATED ARTICLES

Most Popular