৩-১ ব্যবধানে নেপালের বিপক্ষে জয়ে জোড়া গোল করেছেন কৃষ্ণা রানী সরকার। ফাইনালে বাংলাদেশ দল যখন ১-০ গোলে এগিয়েই বিরতিতে যাচ্ছিল প্রায়, ৪১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কৃষ্ণা।
৬৯ মিনিট পর্যন্ত বাংলাদেশ ২-০ গোলেই এগিয়ে ছিল। কিন্তু ৭০ মিনিটে নেপাল একটি গোল পরিশোধ করে চিন্তা ঢুকিয়ে দেয় বাংলাদেশ শিবিরে।
তখন জয় নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের দরকার আরও একটি গোল। সে গোলটিই ৭৭ মিনিটে করেন কৃষ্ণা। ওই গোলের পরই মূলত ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় নেপাল।
দলকে জোড়া গোল করে জেতানো কৃষ্ণা রানী সরকার ফোনের অপরপ্রান্ত থেকে আনন্দে যেন কথাই বলতে পারছিলেন না।
কেমন অনূভূতি আপনার? এমন প্রশ্নে কৃষ্ণার উত্তরে তিনি বলেন, আমার কেমন অনুভূতি, সেটা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না, আমি খুব খুশি। ফাইনালে দুই গোল করতে পেরেছি, আমরাই চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। এর চেয়ে আনন্দের আর কী হতে পারে!
দল চ্যাম্পিয়ন, আপনার দুই গোল। কোনটিতে আনন্দ বেশি? কৃষ্ণার জবাব, আসলে দুটিই। সবচেয়ে বড় আনন্দ তো চ্যাম্পিয়ন হওয়াই। তবে ওরা যখন এক গোল দিলো, তখন তো একটু চিন্তা ছিলই। আরেকটি গোল দিতে পারলে তো সমান হয়ে যেতো। ঠিক তখনই আমি গোল করলাম। তাই আমি এতটাই খুশি যে, বলে বোঝাতে পারবো না।’
কৃষ্ণা এর আগেও ২০১৮ সালে সাফ অনূর্ধ্ব-১৮ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জেতা দলের সদস্য ছিলেন। তবে তিনি জানালেন, এবারের আনন্দটা বেশি। কারণ সিনিয়র পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মর্যাদাটা আলাদা কিছুই
নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।