Homeদেশের খবরকরোনাকালে থানার সামনে জীবাণুনাশক জাদুর বাক্স

করোনাকালে থানার সামনে জীবাণুনাশক জাদুর বাক্স

মো. আবু শাহেদ, হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) থেকে:  চট্টগ্রাম হাটহাজারী মডেল থানায় করোনাকালের জীবাণুর নাশক জাদুর বাক্স স্থাপন করা হয়েছে। এতে কুয়াশার মতো স্প্রে হচ্ছে জীবাণুনাশক পানি। ওই বাক্সের ভেতর দিয়ে থানার মুলফটকে ঢুকলে, বের হলে কাটছে জীবাণু ছড়ানোর ভয়।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় হাটহাজারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদ আলম থানায় প্রবেশপথে এ জাদুর বাক্স বসিয়েছেন গত কয়েকদিন আগে।

এ উদ্যোগে নেতৃত্ব দিয়েছেন থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদ আলম। তিনি দৈনিক মানবজমিন কে বলেন, হাটহাজারী মডেল থানায় প্রতিদিনই সেবা নিতে স্থানীয় জনসাধারণগণ আসেন। থানায় কর্মরত পুলিশ সদস্য, কর্মচারী ও স্থানীয় লোকদের করোনা ভাইরাসের ভয়কে জয় করার জন্য আমরা দুই প্রবেশ মুখে হ্যান্ড স্প্রে দিয়ে জীবাণুনাশক দেওয়ার উদ্যোগ নিই। তখনি ভাবলাম আমরা যদি তেমন একটি বাক্স বানাতে পারি- তাহলে কষ্ট, ঝুঁকি যেমন কমবে তেমনি সবাইকে জীবাণুনাশকের বাক্সে ঢোকানো সম্ভব হবে। এ ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে সহযোগিতা করে থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রাজীব শর্মা, ইন্সপেক্টর (অপারেশন) তৌহিদুল করিম প্রমুখ।

তিনি আরো বলেন, প্রথমে ২০ বর্গফুটের একটি ফ্রেমে স্বচ্ছ প্লাস্টিকের আবরণ দিলাম। দুই দিকে খোলা রাখলাম। চারটি করে নজল চারটি পাইপে ফিটিংস করলাম। তিনটি ড্রাম, ১ ঘোড়া অশ্বশক্তির বৈদ্যুতিক মোটর, ব্লিচিং পাউডার জোগাড় করলাম। একটি ড্রামে ২০ লিটারে চিকিৎসকদের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিমাণমতো ব্লিচিং পাউডার মিশিয়ে মোটর দিয়ে জীবাণুনাশক কক্ষে পাঠাই আমরা। কুয়াশার মতো সৃষ্টি হয়। বাকি দুই ড্রাম পানিতে জীবাণুনাশক তৈরি করে রাখি।

ওসি মাসুদ আলম জানান, প্রথম দিকে আমাদের অনেক পরীক্ষা নিরীক্ষা চালাতে হয়েছে। পাইপের ব্যাস ছোট বড় করতে হয়েছে। নজল পাল্টাতে হয়েছে। চূড়ান্ত করেছি গত (১৪ই মে)। আজ ৪ দিন হলো। সবাই আমাদের এ উদ্যোগে খুশি। সবাই বলে এটি জাদুর বাক্স।

RELATED ARTICLES

Most Popular