নিজস্ব প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলে শীতের তীব্রতা বাড়ায় সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কাজে ভোগান্তি স্পষ্ট। ভোর থেকে কুয়াশা আর ঠান্ডা বাতাসে জেলার বিভিন্ন স্থানে স্বাভাবিক জীবনচক্র মন্থর হয়ে পড়েছে। দিনভর সূর্যের দেখা কম, হিমেল হাওয়ার কারণে রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতিও তুলনামূলক কম। বিশেষ করে দিনমজুর, রিকশা-ভ্যান চালক এবং নিম্ন আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। শীতজনিত রোগীর সংখ্যাও হাসপাতালে বাড়ছে, শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে সর্দি-কাশি ও নিউমোনিয়ার উপসর্গ বেশি দেখা যাচ্ছে।
আবহাওয়া পরিস্থিতি বলছে, টাঙ্গাইলে দিনের তাপমাত্রা ২০ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলেও রাতের তাপমাত্রা নেমে ১২-১৩ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছে। আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী কিছুদিন রাতের শীত আরও অনুভূত হতে পারে। সকাল-সন্ধ্যায় ঘন কুয়াশা থাকায় অনেকেই কাজকর্মে দেরিতে বের হচ্ছেন। বহু জায়গায় মানুষ খড়কুটো জ্বালিয়ে উষ্ণতা নিচ্ছেন, কিছু এলাকায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু করেছে। সাধারণ মানুষের দাবি, সরকারি উদ্যোগও আরও বাড়ানো জরুরি।
শুধু টাঙ্গাইলই নয়, সারাদেশেও একই ধরনের শীতের প্রভাব রয়েছে। দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে আবহাওয়া এখন শুষ্ক, বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। রাতের সময় তাপমাত্রা দ্রুত নেমে যাচ্ছে এবং সকালে কুয়াশা ঘন হয়ে থাকছে। দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের দেখা মিলছে, তবে শীতের দাপট এখনো স্পষ্ট অনুভূত।
শীতের এই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য সচেতনতা, গরম পোশাক ব্যবহার এবং শিশু-বৃদ্ধদের অতিরিক্ত যত্ন নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা। পরিস্থিতি আরও কিছুদিন স্থায়ী হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
