শচীন টেন্ডুলকার কিছুদিনের জন্য স্বস্তির নিশ্বাস ফেলবেন। যাক, টেস্টে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটা তাহলে আর কিছুদিনের জন্য তাঁর দখলেই থাকবে। মাত্র ৩৩ বছর বয়সে অবসর নিয়ে ফেলেছেন অ্যালিস্টার কুক। ভারতের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচ ওভাল টেস্ট খেলেই ইংল্যান্ডকে বিদায় বলে দেবেন সাবেক অধিনায়ক।
১২ বছরের ক্যারিয়ারে ১৬০টি টেস্ট খেলে ফেলেছেন। ৪৪.৮৮ গড়ে ১২ হাজার ২৫৪ রান করেছেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে টেস্টে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েছেন তিন বছর আগেই। ইংল্যান্ডের পক্ষে সবচেয়ে বেশি টেস্ট খেলা ও সবচেয়ে বেশি টেস্টে (৫৮)অধিনায়কত্ব করার রেকর্ড তাঁরই। টানা ১৫৮টি টেস্ট খেলার বিশ্ব রেকর্ডটি কুক নিজেই থামিয়ে দিচ্ছেন ১৫৯ টেস্টে। কারণটা অবশ্য জানা, নিঃশেষ হয়ে যাওয়া, ‘যদিও এটা একটি দুঃখের দিন। তবু আমি হাসি নিয়েই যেতে পারছি। কারণ, আমি আমার সবটুকু দিয়েছি এবং দেওয়ার মতো আর কিছু বাকি নেই। যা ভেবেছি, কল্পনা করেছি তার চেয়েও অনেক বেশি কিছু পেয়েছি। ইংল্যান্ডের বেশ কিছু গ্রেটের সঙ্গে খেলতে পেরেছি বলে গর্বিত। এমন সব সতীরথের সঙ্গে ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করতে না পারার চিন্তাটা খুবই কঠিন ছিল। কিন্তু আমি জানি, এটাই সঠিক সময়।
গত অ্যাশেজ থেকেই কুকের অবসর নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছিল। ব্রিটিশ মিডিয়ার প্রশ্নের মুখেও নিজের মতো করে জবাব দিচ্ছিলেন। ব্যাটিং পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও ইংল্যান্ডের ইনিংস উদ্বোধনে অন্য কারও কথা ভাবা যাচ্ছিল না। টেন্ডুলকারের ১৫ হাজার ৯২১ টেস্ট রানের রেকর্ড যদি কেউ ভাঙেন সেটা কুকই পারবেন বলে মনে হচ্ছি। কারণ, বয়সটা যে এখন মধ্য ত্রিশ ছুঁতে দেরি আছে। কিন্তু কুক নিজেই সে সুযোগ রাখলেন না, ‘গত কয়েক মাস ধরে অনেক চিন্তার পর আমি ভারতের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিচ্ছি।
২০০৬ সালে নাগপুরে টেস্ট অভিষিক্ত কুক চাচ্ছেন, দেশকে এগিয়ে নেওয়ার কাজটা নতুন প্রজন্মই নিক, ‘আমি সারা জীবন ক্রিকেটকে ভালোবেসেছি। শৈশবে নিজের উঠানে খেলার সময় থেকেই। তাই ইংল্যান্ডের জার্সি গায়ে চাপানোর অনুভূতিটা কতটা বড় ব্যাপার সেটা আমি জানি। এ কারণেই আমি জানি এটাই সঠিক সময় নতুন প্রজন্মের তরুণদের সুযোগ করে দেওয়ার। তারা যেন আনন্দ দিতে পারে এবং দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার অবিশ্বাস্য গৌরবটা বুঝতে পারে।
নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।