শুক্রবার, এপ্রিল ১৭, ২০২৬
Homeটাঙ্গাইল জেলামির্জাপুরমির্জাপুরের ঝিনাই নদীতে ভাঙন

মির্জাপুরের ঝিনাই নদীতে ভাঙন

নিউজ টাঙ্গাইল ডেস্ক: টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের ঝিনাই নদীতে (স্থানীয় নাম বউমরা) ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। বর্ষার পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নদীতে এই ভাঙন শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। অব্যাহত ভাঙনে পাকা রাস্তা, ফসলি জমি, দুইটি ব্যবসা কেন্দ্র ও দুইটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হুমকির মধ্যে পড়েছে।

এদিকে ঝিনাই নদীর ভাঙনে কুর্নি-ফতেপুর পাকা রাস্তার বইলানপুর এবং হিলড়া এলাকায় রাস্তার বিপুল অংশ নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় উপজেলা সদরের সঙ্গে দুই ইউনিয়নের কমপক্ষে ১০ গ্রামের মানুষের যোগাযোগ বন্ধের উপক্রম হয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা গেছে, নদীতে বর্ষার পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ঝিনাই নদীতে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। ফতেপুর ইউনিয়নের থলপাড়া, হিলড়া বাজার, বইলানপুর, সুতানড়ী, বানকাটা, পারদীঘি, চাকলেশ্বর ও ফতেপুর গ্রামে নদীর ভাঙনে পাকা রাস্তা, ব্যবসা কেন্দ্র ও বিপুল পরিমাণ ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। অব্যাহত ভাঙনের ফলে হাট ফতেপুর বাজার ও হিলড়া বাজারের অস্তিত্ব এখন হুমকির মুখে।

অন্যদিকে গত দুই দিনের অব্যাহত ভাঙনে কুর্নি-ফতেপুর পাকা রাস্তার হিলড়া বাজার ও বইলান এলাকায় রাস্তার বিপুল অংশ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় উপজেলা সদরের সঙ্গে ফতেপুর ও মহেড়া ইউনিয়নের কমপক্ষে ১০ গ্রামের মানুষের যোগাযোগ বন্ধের উপক্রম হয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে।

ঝিনাই নদীর ভাঙন অব্যাহত থাকায় হাট ফতেপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও হিলড়া উচ্চ বিদ্যালয়টি হুমকির মধ্যে রয়েছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে।

এছাড়া নদী ভাঙ্গনে সুতানড়ী, বানকাটা ও থলপাড়া গ্রামের বিপুল পরিমাণ ফসলি জমি নদীগর্ভে চলে গেছে বলে ওই এলাকার কৃষকরা জানিয়েছেন।

ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রউফ জানান, এ বছর নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করছে। বিশেষ করে সড়কটি ভাঙায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। বিকল্প হিসেবে সড়কের ভাঙা অংশের পাশে এলাকাবাসীর জমির উপর দিয়ে চলাচলের জন্য জরুরিভিত্তিতে মাটি ফেলে সড়ক নির্মাণের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে।

মির্জাপুর উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. সামছুদ্দীন জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

মুঠোফোনে পানি উন্নয়ন বোর্ড টাঙ্গাইলের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহজাহান সিরাজ বলেন, সরেজমিন পরিদর্শন করে ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

মির্জাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আজগর হোসেন বলেন, নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে বালি উত্তোলনের সাথে কোন আপস নেই। মৌখিক অভিযোগ পেলেই এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।

RELATED ARTICLES

Most Popular