মঙ্গলবার, এপ্রিল ২১, ২০২৬
Homeদেশের খবররোগীকে অজ্ঞান করে একাধিকবার ধর্ষণ চিকিৎসকের, ভিডিও ধারণ

রোগীকে অজ্ঞান করে একাধিকবার ধর্ষণ চিকিৎসকের, ভিডিও ধারণ

মাদারীপুরের কালকিনিতে ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে এক গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে দন্ত্যচিকিৎসক ও তার বন্ধুদের বিরুদ্ধে। ঘুমের ঔষধ খাইয়ে অচেতন করে গৃহবধূর গোপন ভিডিও ধারণ করে ভয়ভীতি দেখিয়ে পর্যায়ক্রমে ৬ মাস ধরে দলবদ্ধ ধর্ষণ করে আসছে অভিযুক্তরা। শুধু ধর্ষণই নয়, ভিডিও ডিলেটের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে ধর্ষিতার কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে ২০ হাজার টাকা।

বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় প্রভাবশালীদের হুমকির কারণে বের হতে পারছেন না ভুক্তভোগীর পরিবার।

থানায় অভিযোগ দিলে তিন দিনেও মামলা রেকর্ড হয়নি, গ্রেপ্তারও হয়নি কেউ। এতে ক্ষুব্ধ এলাকার নাগরিক সমাজ।

ভুক্তভোগী পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতবছরের সেপ্টেম্বর মাসে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ‘সেবা ওরাল এ্যান্ড ডেন্টাল কেয়ারে’ চিকিৎসার জন্য যান গৃহবধূ।

এসময় প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসক মোঃ ছায়েদুল হক কিরন ওই গৃহবধূকে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে অচেতন করে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে বলে অভিযোগ নির্যাতিতার।

এ ঘটনায় কালকিনি থানায় অভিযোগ দিলে স্থানীয় প্রভাবশালীদের চাপে ঘর থেকে বের হতে পারছেন না ভুক্তভোগী পরিবার। দেয়া হচ্ছে হুমকি।

নির্যাতিতা গৃহবধূ বলেন, আমি চিকিৎসার জন্য ডাক্তার কিরনের কাছে যাই। এসময় কিরন আমাকে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে অচেতন করে ধর্ষণ করে, তা আবার গোপনে ভিডিও ধারণ করেন। পরে সেই ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে একাধিক বার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শারীরিক সম্পর্ক করে।

পরে কিরন তার বন্ধু হাসান ও সোহাগকে সেই ভিডিও দেয়। এরপর হাসান ও সোহাগ সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে তারাও আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে। সোহাগ ভিডিও ডিলেটের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে হাতিয়ে নিয়েছে ২০ হাজার টাকা, কিন্তু ডিলেট করেনি সেই ভিডিও। উল্টো আমাকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে বার বার ধর্ষণ করে।

এ ব্যাপারে কালকিনি থানার ওসি ইশতিয়াক আশফাক রাসেল বলেন, ৬ মাস আগের ঘটনা, জানাজানি হওয়ার পর অভিযুক্তরা পালিয়েছে। তবে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।

RELATED ARTICLES

Most Popular