জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দলেই ছিলেন না। প্রস্তুতি ম্যাচে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি করে দলকে জেতালেও তাই প্রথম দুই ওয়ানডেতে সুযোগ হয়নি সৌম্য সরকারের। তৃতীয় ওয়ানডের আগে হঠাৎ তাকে নিয়ে আসা।
আসলেন, দেখলেন, জয় করলেন। সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে সুযোগ পেলেন। সেঞ্চুরি দিয়েই প্রত্যাবর্তনটা উদযাপন করলেন সৌম্য সরকার। ফেরার ম্যাচ, দেখেশুনে খেলার কথা। কোথায় কি! সৌম্য খেললেন একদম নিজের মতো, সেই বিধ্বংসী ব্যাটিং।
৮১ বলেই সেঞ্চুরি ছুঁলেন সৌম্য। যেটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয়। সেঞ্চুরির পথে চারটি ছক্কা হাঁকিয়েছেন বাঁহাতি এই ড্যাশিং ওপেনার। চার মেরেছেন ৯টি।
সৌম্যর সেঞ্চুরি মানেই বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের পসরা। ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিটা করেছিলেন পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০১৫ সালে। সেটাও ছিল মাত্র ৯৪ বলে। এবার করলেন ৮১ বলে। এরপর ৯২ বলে ১১৭ রানে আউট হন সৌম্য। ৯টি চারের পাশে হাঁকিয়েছেন ৬টি ছক্কা। সেঞ্চুরির পর সিকান্দার রাজার এক ওভারেই দুটি ছক্কা হাঁকিয়েছেন তিনি।
এর আগে ২৮৭ রান টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ভূল লেগ বিফরের ফাঁদে পড়ে আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন লিটন। রিভিউ নিলে বেঁচে যেতেন তিনি।
এরপরের গল্পটা শুধুই ইমরুল আর সৌম্যর। যতই ওভার গড়াতে থাকে ততই ভয়ংকর হতে থাকে এই দুইজন। এ যেনো কার চেয়ে কে বেশি রান করে এগিয়ে থাকতে পারেন এই পাল্লা। ৯২ বল থেকে ১১৭ রান করে মাসাকাদজার বলে ক্যাচ আউট হয়ে ফিরে যান সৌম্য। কিন্তু এর আগে তাদের দুজনের ব্যাট থেকে এসেছে ২২০ রানের জুটি। যেটা বাংলাদেশের মাটিতে ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ বেশি রানের জুটি। এছাড়া ২য় উইকেটের পার্টনারশিপেও সবচেয়ে বেশি রানের জুটি।
২৮৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৮৮ রান করে টাইগাররা। সেই সাথে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৭ উইকেটের বিশাল জয় পাই টাইগাররা। মিঠুন ১১ বলে ও মুশফিক ৩৯ বলে ২৮ অপরাজিত ছিলেন।
নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।