তবে ট্রেন চালুর একদিন পরই টাঙ্গাইলের মির্জাপুর, মহেড়া ও গাজীপুরের মৌচাক স্টেশনে ট্রেনটি বিরতি দেয়া হয় না। আর তাই মির্জাপুরে ট্রেন বিরতি দেয়ার দাবিতে শুক্রবার মির্জাপুরের সচেতন নাগরিক ব্যানারে মানববন্ধন করা হয়। ওই মানববন্ধনের সংবাদ মূহুর্তের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ে এবং সংশ্লিষ্ট রেল কর্তৃপক্ষের নজরে আসলে তারা বিষয়টিকে অতি গুরুত্বসহকারে দেখে সমস্যার সমাধান করেন।
মঙ্গলবার থেকে এ রেল সেবাটি চালু হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ঢাকা-টাঙ্গাইল সরাসরি ট্রেন সার্ভিস বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক সাঈদ মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ।
বর্তমানে ঢাকা-টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনটির নাম পরিবর্তন হয়ে টাঙ্গাইল এক্সপ্রেস নামকরণ করা হয়েছে এবং ১৩টি স্থানের বিরতি না দিয়ে পরিবর্তন করে মোট সাতটি স্থানে বিরতির সিডিউলও করা হয়েছে এবং মিটারগেজ এর পরিবর্তে ব্রডগ্রেজ ট্রেন চলবে বলেও জানা গেছে।
এ বিষয়ে মির্জাপুর রেল স্টেশন মাস্টার নাজমুল হুদা বকুল বলেন, আগের ট্রেনের চাইতে এই ট্রেনের সেবা ও গুণগতমান অনেক ভালো। বুধবার থেকেই ট্রেন থামার বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।
মির্জাপুর স্টেশনে ট্রেন বিরতি দেয়ার কারণে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকসহ রেল কর্তৃপক্ষকে মির্জাপুরবাসীর পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন মির্জাপুর পৌর মেয়র সাহাদৎ হোসেন সুমন।
