এসআই সোহেল কদ্দুছ ছাড়া আটকৃতরা হলেন রংপুর জেলার শহিদুর রহমান ও সাইদুল ইসলাম, বহুরিয়া ইউনিয়নের কোর্টবহুরিয়া গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে আনোয়ার হোসেন, মীর দেওহাটা গ্রামের মৃত তমিজ উদ্দিনের ছেলে ফিরোজ মিয়া।
জানা যায়, ওইদিন রাত দু’টার পর গেরামারা গ্রামের আলমাস মিয়ার বাড়িতে পুলিশ পরিচয় দিয়ে ঘরের দরজা খোলার জন্য উচ্চবাচ্য করতে থাকে ৬-৭ জন লোক। পরে আলমাসের স্ত্রী আতঙ্কিত হয়ে চিৎকার করতে থাকলে গ্রামবাসীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের পরিচয় জানতে চায়। সেখানকার একজন নিজেকে মির্জাপুর থানার এসআই পরিচয় দিলেও বাকিরা নিজেদের পুলিশের কেউ নয় ও একজন নিজেকে মির্জাপুর থানার বাবুর্চি পরিচয় দেয়।
পুলিশ পরিচয় দেয়া সিভিল ড্রেসে থাকা ব্যক্তিকে গ্রামবাসী তার আইডি কার্ড, ওয়ারেন্ট দেখাতে বলে। কিন্তু তিনি তা দেখাতে ব্যর্থ হন। পরে বিক্ষুদ্ধ গ্রামবাসী তাদের আটক করে রাখে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন হাইওয়েতে টহলরত কয়েকজন পুলিশ।
কিন্তু গ্রামবাসীর তোপের মুখে তারা সরে আসতে বাধ্য হন।
অবশেষে আজ ভোরে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম মিজানুল হক নিজে গিয়ে তাদের সেখান থেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন।
আলমাস জানান, তিনি সিঙ্গাপুরে কর্মরত। কয়েকমাস হলো দেশে এসেছেন। থানায় তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ বা মামলা নেই। কিছুদিন আগে তার শ্বশুর বাড়িতে ডাকাতি হয়। সেই ঘটনা আর এই ঘটনার প্রেক্ষাপট একই রকম।
মির্জাপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো. মোশারফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানাননি এই কর্মকর্তা।
