এম সাইফুল ইসলাম শাফলু : টাঙ্গাইলের সখীপুরে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে জনতা উচ্চবিদ্যালয়ের ৩টি পদের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের সভাপতি কামরুল হাসান বাবুল এবং প্রধান শিক্ষক ডিএম শামছুল হকের বিরুদ্ধে মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেন করে আয়া, নিরাপত্তাকর্মী ও নৈশপ্রহরী পদে লোক নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ পেয়ে ওই নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয় । ওই প্রতিষ্ঠানের আয়া পদের প্রার্থী আরজিনা আক্তারের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা শিক্ষা অফিসার লায়লা খানম এ স্থগিতাদেশ দেন। ওই স্থগিতাদেশ জেলা শিক্ষা অফিসার থেকে বাংলাদেশ মাধ্যমকি উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক,জেলা প্রশাসক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ময়মনসিংহ অঞ্চল, ডিজি মহোদয়ের প্রতিনিধি নিয়োগ কমিটি জনতা উচ্চ বিদ্যালয়, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সখীপুর এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের সভাপতি বরাবর অনুলিপি পাঠানো হয়।
জানা গেছে, সম্প্রতি উপজেলা পাথার জনতা উচ্চবিদ্যালয়ে আয়া , পরিচ্ছন্নতাকর্মী, এবং নৈশপ্রহরী পদে একজন করে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। এই তিন পদের বিপরীতে ১৮ জন প্রার্থী আবেদন করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি কামরুল হাসান বাবুল এবং প্রধান শিক্ষক ডি এম শামছুল আলম চাকরী পায়িয়ে দেওয়ার জন্য গোপনে কয়েকজন প্রার্থীর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে অভিযোগ এনে ওই প্রতিষ্ঠানের আয়া পদের প্রার্থী আরজিনা আক্তারের জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত আবেদন করলে জেলা শিক্ষা অফিসার ওই নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করেন।
এ বিষয়ে জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ডিএম শামছুল আলম নিয়োগের ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি অস্বীকার করলেও নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে বলে তিনি জানান।
বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি কামরুল হাসান বাবুলের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, যেখানে নিয়োগই দেওয়া হয়নি সেখানে টাকা লেনদেন হয় কীভাবে। নিয়োগ বোর্ডে যিনি প্রথম হবেন তিনিই নিয়োগ পাবেন ইতিপূর্ব তাই হয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মফিজুল ইসলাম , জেলা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ে তিনটি পদে নিয়োগ কার্যক্রমের স্থগিতাদেশ তিনি এখনো হাতে পাননি বলে জানান।
জেলা শিক্ষা অফিসার লায়লা খানম বলেন, একজন প্রার্থীর লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে ওই প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ কার্যক্রম আপদত স্থগিত করা হয়েছে।
