নিউজ ডেস্কঃ গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের উড়িয়াবাড়ি গ্রামের শহিদ মুক্তিযোদ্ধা আমীর আলীর একমাত্র কন্যা আবিদা সুলতানা মায়ের ওয়ারিশ পাওয়া বাড়িঘর রক্ষার আকুতি নিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।
স্থানীয় কুখ্যাত রাজাকার মৃত ছামান আলী সরকারের ২ ছেলে আব্দুল মান্নান ও শহীদুল ইসলাম তার বাড়িঘর ও প্রায় দেড়শ শতাংশ জমি জবরদখল করে রেখেছেন।
রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে আবিদা সুলতানা এসব অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আবিদা সুলতানা অভিযোগ করে জানান, মাতৃসূত্রে ওয়ারিশ হিসেবে পাওয়া তার বাড়ি ও প্রায় দেড়শ শতাংশ জমি তার মামা রাজাকার ছেলে আব্দুল মান্নান ও শহীদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে জবরদখল করে রেখেছেন। ফলে তিনি বাড়িতে ফিরতে না পেরে স্বামী-সন্তান নিয়ে ঢাকায় মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।
তিনি বলেন, বাড়িঘর ও সম্পত্তি দাবি করায় তার দুই মামা ইতোপূর্বে নানা অভিযোগে ৬টি মামলা দায়েরসহ নানাভাবে হয়রানি করছেন।
মামলাগুলো চলমান থাকলেও পুলিশি তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। চলতি বছরের ২৬ মে তিনি গ্রামের বাড়িতে গেলে আব্দুল মান্নান, শহীদুল ইসলাম, স্থানীয় আসাদ ও লিয়াকত সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা চালিয়ে মারধর করে তাকে বাড়ি ছাড়ার মাধ্যমে জবরদখল করে নেয়।
এ বিষয়ে তিনি গোপালপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেছেন। ইতোপূর্বে উল্লেখিতরা একই কারণে তার স্বামী প্রকৌশলী এম মোস্তাফিজকে ছুরিকাঘাত করে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রাপ্য বাড়িঘর ও জমি রক্ষায় প্রশাসনসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
তিনি আরো বলেন, ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আমীর আলী শহিদ হন। পক্ষান্তরে তার নানা মৃত ছামান আলী সরকার ছিলেন গোপালপুর থানার পিস কমিটির সভাপতি।
সংবাদ সম্মেলনে আবিদা সুলতানার ছেলে সাককাত সাকিব ও খালাতো ভাই কেএম মোস্তাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।