টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত খামারীদের প্রণোদনা বিতরণের তালিকা করতে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে। উপজেলার সহদেবপুর ইউনিয়নের আকুয়া গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে রুবেলের বিরুদ্বে এমন অভিযোগ উঠেছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতায় মহামারি করোনাভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত গরু ও মুরগী খামারিদের প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের আওতায় কালিহাতীতে ১২টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভার খামারিদের এ প্রণোদনার টাকা দেওয়া হচ্ছে।রুবেল প্রাণী সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা না হয়েও ক্ষতিগ্রস্ত খামারীদের ওই প্রণোদনা টাকা দিবার কথা বলে প্রতিটি খামার থেকে ৪ / ৬ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিয়েছেন এমন অভিযোগ করেছেন প্রণোদনা প্রাপ্ত খামারীরা। আর যে সমস্ত ক্ষতিগ্রস্ত খামারি রুবেলকে প্রদোনার টাকার জন্য ঘুষ দিতে রাজি হয়েছে শুধু তাদেরকেই তালিকায় আনা হয়েছে বাকিদের বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে বাদ দেওয়া হয়েছে। এ উপজেলার প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নে একই রকম অভিযোগ পাওয়া গেছে।
কালিহাতী উপজেলার আকুয়া গ্রামের শাহজালালের স্ত্রী সুমি বেগম জানান, গরু লালন-পালন করার কারণে বেশ কয়েক মাস আগে রুবেল আর মারুফ আসে আমার নামের লিস্ট নেওয়ার জন্য। পরে আমাকে বলে যে ১৫ হাজার টাকা পাবেন সেখান থেকে ৬ হাজার টাকা অফিস খরচ দিতে হবে টাকা পাবার পর। পরে যখন টাকা পেলাম তার পরে রুবেল ও মারুফ এসে ৬হাজার টাকা নিয়ে গেছে ।
একই এলাকার আনোয়ার হোসেন বলেন, আমার কাছে রুবেল ও মারুফ ৪ হাজার টাকা দাবী করে। আমি বলি সরকার আমাকে টাকা দিছে আমি কোনোপ্রকার টাকা দিতে পারবোনা। পরে রুবেল ও মারুফ তাকে দেখে নেওয়ার হুমকিও প্রদান করে।
আকুয়া এলাকার ফারুক হোসেন বলেন, আমি গরু লালন পালন করি কিন্তু কোন প্রকার প্রণোদনা পায়নি, কবে এই নামের লিস্ট করেছে তাও জানিনা, তবে শুনেছি আব্দুল কাদেরের ছেলে রুবেল নাকি টাকার বিনিময়ে সবাইকে টাকা পাইয়ে দিয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত রুবেলের সাথে মুটোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্ঠা করলে তিনি কল ধরেন নি।
টাঙ্গাইল জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রানা মিয়া বলেন, প্রনোদনা প্রাপ্তিতে খামারিদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়ে লিখিত কোন অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন
-
"নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন। 