ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে তোফাজ্জল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনার দুই বছর পার হলেও এখনো শুরু হয়নি বিচার। মামলার ২৮ আসামির মধ্যে ১৭ জন পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। বিচার বিলম্বিত হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে নিহতের পরিবার।
২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে চোর সন্দেহে তোফাজ্জলকে হলের ভেতরে মারধর করেন কয়েকজন শিক্ষার্থী। পরে তাকে ক্যান্টিনে খাবার দেওয়া হলেও আবারও মারধর করা হয়। রাত ১০টা ৫২ মিনিটে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরদিন শাহবাগ থানায় মামলা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। প্রথমে পুলিশ ২১ শিক্ষার্থীকে আসামি করে অভিযোগপত্র দিলেও তদন্তে অসন্তোষ জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নারাজি দেয়। পরে আদালতের নির্দেশে পিবিআই পুনঃতদন্ত করে ২৮ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয়।
বর্তমানে দুই আসামি কারাগারে এবং নয়জন জামিনে রয়েছেন। পলাতক ১৭ আসামিকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য রয়েছে।
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি ওমর ফারুক ফারুকী জানিয়েছেন, মামলাটি জজকোর্টে বদলি হলে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হবে।
নিহতের ফুফাতো বোন আসমা আক্তার বলেন, ‘দুই বছর হয়ে গেল, এখনো বিচার শুরু হয়নি। আমরা দ্রুত সময়ে ন্যায়বিচার চাই।’
