বৃহস্পতিবার, মে ২৮, ২০২৬
Homeসম্পাদকীয়মুজিব বর্ষ হোক আগামী প্রজন্মের প্রেরণা

মুজিব বর্ষ হোক আগামী প্রজন্মের প্রেরণা

বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের ক্ষণগণনা চলছে ১০ জানুয়ারি থেকে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর জাতীয় প্যারেড স্কোয়ারে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশব্যাপী কাউন্টডাউন অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন। এই অভিনব কাউন্টডাউন বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের তাৎপর্যময় দিনে হওয়ায় ডিজিটাল নতুন বাংলাদেশের টিভি, অ্যান্ড্রয়েড গেজেটের মাধ্যমে তা বিশ^ব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। গোটা বিশে^র তাবৎ চোখের দৃষ্টি নিক্ষিপ্ত ছিল ওই অনুষ্ঠানের দিকে। কারণ, বঙ্গবন্ধু শুধু কোনো দলের বা দেশের নন। বঙ্গবন্ধু আজ বিশ^বন্ধু। আমাদের জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ পুরুষ। রাজনৈতিক বাস্তবতায় তিনি উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ, শীর্ষদের একজন। মুজিব বর্ষ আমাদের অহঙ্কার। এমন ঐতিহাসিক জাতীয় উদযাপনের অংশীদার হওয়া কি কম গর্বের? নতুন প্রজন্মের জীবনে তাই মুজিব বর্ষ এক বিরাট অপার্থিব সুযোগ!

ক্ষণগণনা শুধু ঢাকায় নয়। বিভিন্ন বিভাগ, জেলা এমনকি অনেক উপজেলায় একযোগে শুরু হয়েছে। চলছে ডিজিটাল বাংলাদেশের দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি করা এলইডি ডিসপ্লে ডিভাইস। এই ডিজিটাল ডিভাইস দামে সস্তা বলে ব্যক্তিগত উদ্যোগেও স্থাপন করে নিয়েছেন কেউ কেউ। জন্মশতবর্ষ উদযাপনের কাউন্টডাউনের আধুনিক স্মার্ট এই ডিজিটাল দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বোর্ডের সুবিধার জন্য রাজধানীসহ, বিভাগীয় শহর, জেলা, সিটি করপোরেশন এবং সারা দেশে উপজেলায় সরকারি স্থানে অনেক মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সরকারি ও বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয় তাদের নিজস্ব উদ্যোগে ডিজিটাল এলইডি কাউন্টডাউন ডিভাইস স্থাপন করেছে। নতুন প্রজন্মের হাতে হাতে থাকা ওয়াইফাই স্মার্ট গেজেটের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে আকর্ষণীয় সুন্দর দৃষ্টিনন্দন ক্ষণগণনার এই অভিনব ডিজিটাল লোগো প্রচারণা।

পত্র-পত্রিকায় প্রকাশ, মুজিব বর্ষ উপলক্ষে ইউনেস্কোর তত্ত্বাবধানে সমগ্র বিশ্ব ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালন করবে। ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় মুজিব বর্ষের এই আয়োজন আন্তর্জাতিক রূপ লাভ করেছে এবং অনন্য মাত্রায় উন্নীত হয়েছে। জাতিসংঘের এই অঙ্গ সংস্থার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়বে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও আদর্শ বাংলাদেশসহ বিশে^র জনগণের মাঝে ছড়িয়ে পড়বে। মুজিব বর্ষ বিশ^ জুড়ে কার্যক্রমের নানাবিধ চৌকস পরিকল্পনা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ও বাইরের মানুষকে বঙ্গবন্ধুর ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্ব এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শ চিত্রিত বা অবহিত করতে সহায়ক হবে। গোটা দুনিয়ায় তৈরি হবে শেখ হাসিনা সরকারের উদীয়মান টাইগার, নতুন বাংলাদেশের নতুন ব্র্যান্ডিং। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর আয়োজনের মাধ্যমে তাঁর সুদীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস, বাঙালি জাতির জন্য তাঁর সুমহান আত্মত্যাগ এবং তাঁর সুদীর্ঘ কর্মময় বর্ণাঢ্য জীবন বিশ্ববাসীর মাঝে ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে দেওয়ার এটি এক সুযোগ। জাতি হিসেবে এটি আমাদের জন্য বিরল গৌরব ও সম্মানের। এই জন্মশতবার্ষিকী পালনের সিদ্ধান্ত তাই নিঃসন্দেহে অত্যন্ত প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

এ কথা কে না জানেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ সত্যিই একটি প্রাণবন্ত অর্থনীতিতে সুযোগের দেশ। বাংলাদেশ হয়েছে অপার সম্ভাবনা ও সুযোগ-সুবিধার এক গতিশীল অর্থনীতির দেশ। বিশ্বের জিডিপিতে প্রবৃদ্ধি অর্জনে বাংলাদেশের অবস্থান এক নম্বরে। সামাজিক সূচকের অনেকগুলোতেই প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত থেকে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। এই সফলতার ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছেন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নকারী সুযোগ্য নেতৃত্ব বঙ্গবন্ধুকন্যা রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার বিজ্ঞান-প্রযুক্তী

আধুনিক সময়োপযোগী বেশ কিছু চৌকস পদক্ষেপ। হেনরি কিসিঞ্জারের মুখে তাই, পড়েছে ছাই। তথাকথিত তলাবিহীন ঝুঁড়ির দেশ বাংলাদেশ আর নেই। উন্নত বিশ্বের লক্ষ্য নিয়ে আধুনিক দেশ হিসেবে তরতরিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। ডিজিটাল সরকারের তথ্যের অভিযাত্রা হাইওয়ে থেকে সুপার হাইওয়েতে এগিয়ে রয়েছে। নতুন প্রজন্মের স্বপ্নের ডিজিটাল জানালা খুলে দিয়েছে মহাশূন্যে ডানা মেলা জয় বাংলা খচিত ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। উন্নয়নের অভিনব যাত্রায় এগিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনা সরকারের নতুন বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার সুস্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। ২০৪১ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ায় উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে নিশ্চিত গড়ে উঠবে বাংলাদেশ।

আগামীতে উন্নত হয়ে ওঠা বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে, সত্যিকার দেশ উন্নয়নে কাজ করবে এই প্রজন্মের শিশু-কিশোর। জাতির পিতার আদর্শ বুকে ধারণ করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ টার্গেট গ্রুপ তাই বাংলাদেশের শিশুরা। যাদের আধো কণ্ঠে, ছোট্ট মুখে ভাঙা উচ্চারণে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ প্রতিনিয়ত এখনই প্রতিধ্বনিত হয়। আজকের এই প্রজন্ম সর্বকালের সেরা বাঙালি বঙ্গবন্ধুর নীতি ধারণ করতে উন্মুখ, সদা প্রস্তুত। বঙ্গবন্ধু যে মিশনটির স্বপ্ন দেখেছিলেন আজকের প্রজন্ম তা বাস্তবে দেখতে ইচ্ছুক। বিশ^ মানচিত্রে বাংলাদেশকে গর্বিত জায়গায় দেখতে চায় নতুন প্রজন্ম। এই প্রজন্ম নিজ নিজ ক্ষেত্রে নিজেরাও প্রস্তুত হচ্ছে তা দেখাতে। আজকের প্রজন্ম আগামী দিনে দেশের উন্নয়নের বিশাল বিশাল কাজে এগিয়ে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছে। অতএব এই প্রজন্মের মনে গেঁথে দিতে হবে ‘বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ’। নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে বঙ্গবন্ধু কেন একটি স্বাধীন দেশ চেয়েছিলেন? কেন তিনি জীবনের সব সুখভোগ বিসর্জন দিয়ে শুধু একটি পতাকার জন্য আজীবন সংগ্রাম করেছেন? কেন তিনি কারাগারে মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েও স্বাধীন বাংলাদেশের ব্যাপারে আপস করেননি? কেন তিনি সব বাঙালির জন্য অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের লক্ষ্যে স্বাধীনতার পথে পা বাড়িয়েছিলেন এবং সব ধরনের শোষণের বিরুদ্ধে বজ্রকণ্ঠে আওয়াজ তুলেছিলেন? শিশুরা জানতে চায় না  এসবের সঠিক ইতিহাস, সঠিক তথ্য। নতুন প্রজন্মের মনে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানার এই কৌতূহল মেটানোর জন্য অপরিহার্য এই মুজিব বর্ষ উদযাপন। এই প্রজন্মের প্রতিনিধিদের প্রত্যেকের হৃদয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও আদর্শকে ধারণ ও লালন করানোর সৃজনশীল কর্মকৌশল তাই এ সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
সমাজবিজ্ঞানী ও গবেষকদের মতে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমপর্যায়ের বিশ্বমানের রাজনীতিক হিসেবে মহাত্মা গান্ধী, নেলসন ম্যান্ডেলা, ইয়াসির আরাফাত প্রমুখের নাম উল্লেখ করা যায়। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে দেশ-বিদেশের শিল্প-সাহিত্য, সংস্কৃতির যতটা ক্রম-বিকাশ ঘটেছে ততটা ঘটেনি বিশ্বের অপরাপর বড় মাপের নেতাদের নিয়ে। মুজিব বর্ষ এবং ২০২০ সামনে রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার, পাবলিক লাইব্রেরি, জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র, বাংলাবাজার কেন্দ্রিক প্রকাশনা সংস্থাসমূহে এক তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, বিশ্বের মহান নেতার ওপর পৃথিবীর আর কোনো দেশে এত বিপুল সংখ্যক বই প্রকাশ পায়নি। এই বইগুলো বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত। এ ছাড়াও বঙ্গবন্ধুর ওপর বেশ সংখ্যক বই চীনা, জাপানি, ইতালি, জার্মানি, সুইডিশসহ নানা বিদেশি ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে এবং হচ্ছে। ভাবা যায়? তাই বাংলাদেশের সাহিত্যের বর্তমান যুগটাই ‘বঙ্গবন্ধু যুগ’ নাম দিয়ে গড়ে তোলার প্রয়োজনের কথা সংশ্লিষ্ট নীতি প্রণেতা মহলের ভেবে দেখার এখনই সময়।

কারণ, ভারতীয় সাহিত্যে যেমন গান্ধী যুগ বলে কালপর্ব নির্দিষ্ট হয়েছে। বিশেষত ১৯২০ সাল থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত। কেন এই চিহ্নিতকরণ ? কারণ, এই মহামানবের জীবন ও কর্মের ব্যাপক প্রভাব। বঙ্গবন্ধুর মতো স্বাধীনতার মহানায়কের জীবন ও কর্ম আমাদের কবি-সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবীদের ভাবনায় নাড়া দিয়েছে। বিশেষত পঁচাত্তরের পনেরো আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ডের পটভূমি বিপুলসংখ্যক কবি-সাহিত্যিককে আন্দোলিত করেছে। এই মহানায়কের কথা, তাঁর কাজ, আকাক্সক্ষা, শখ, বাগ্মিতা, বক্তব্য, তাঁর শারীরিক অঙ্গভঙ্গি সবকিছুর দ্বারাই আলোড়িত হয়েছেন দেশের আপামর জনসাধারণ ও সৃজনশীল ব্যক্তিরা। গান্ধী যেমন ভারতের ভাষা সাহিত্যকে নতুন উদ্দীপনায় মুখরিত করেছিলেন, তেমনি বাংলা সাহিত্যকে রাজনীতির কবি বলে খ্যাত বঙ্গবন্ধু তাঁর চিন্তা ও জীবনযাপন দিয়ে সচকিত করে তুলেছিলেন। বর্তমান সময়ে প্রকাশনা জগতে তাই বাঙালির নবজাগরণের প্রতিভূ বঙ্গবন্ধু।

বড়ই আনন্দের বিষয়, শিশুদের জন্য সৃজনশীল নানা উদ্ভাবনী কাজে সরকারের পাশাপাশি স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে এসেছেন সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম, সামাজিক মাধ্যমগুলো। সরকারের গৃহীত দেশব্যাপী শিশু-কিশোরদের জন্য মুজিব বর্ষে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ প্রচারে সাংস্কৃতিক মাধ্যম, নাট্য বা চিত্তাকর্ষক ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনার যথেষ্ট উদ্যোগ লক্ষ্য করার মতো। তবুও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদযাপনের কর্মসূচিগুলোতে শিশুদের চারপাশটায় আরেকটু বেশি মনোনিবেশ করা দরকার। পরবর্তী প্রজন্মকে এ উপলক্ষ্যে নগদ আনন্দ প্রণোদনা দেওয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। তাতে উদযাপনটি শিশুদের আপন প্রিয়জনের জন্মদিন উদযাপনের মতো আরও বেশি আনন্দময়, নিবিড় অনুভূত হতে পারে। এমনভাবে করা দরকার যা বাংলাদেশের প্রত্যেক শিশুর জীবনকে কিছুটা হলেও স্পর্শ করে যায়। কে না জানে, শিশুরা টাকা-পয়সায় খুশি নয়। শিশুরা খুশি মা-বাবা, প্রিয়জনের আদরে। ওরা ভালোবাসে স্কুলের খাতায় দশে দশ নম্বর। শিশুরা খুশি ঝলমলে মুদ্রিত দরকারি উপঢৌকন, গিফট, খেলনা এসবে। তাই সরকারের কাছ থেকে কিছু উপহার প্রত্যেক শিশুর জন্য স্বাভাবিক কারণেই প্রত্যাশিত। মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে উপহার হিসেবে মুজিব কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে পাওয়া একটি চিঠি বা গ্রিটিংস কার্ড কিংবা অন্যকিছু শিশুদের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। এই প্রজন্মকে ঐতিহাসিক প্রেরণাদীপ্ত করে তুলতে পারে।

এই প্রজন্মের সন্তান যদি বঙ্গবন্ধুর কথা জানতে পারে তবে ‘মুজিব বর্ষ’ উদযাপন সফল হবে। যদি এই প্রজন্ম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নীতি গ্রহণ ও ব্যবহার করতে পারে তবে এই জাতির অগ্রগতি বন্ধ করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। মনে রাখতে হবে, জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী বা মুজিব বর্ষ শুধু আনুষ্ঠানিকতাই নয়, এটি একটি দর্শন। এই দর্শন চর্চার বিষয়, চিন্তায় ও মননে প্রোথিত রাখার বিষয়। এই দর্শন ধারণ করে আমাদের প্রত্যেকের দেশ ও জাতির উন্নয়নে কাজ করার বিষয়। বঙ্গবন্ধু আকাশের এক নাম। হাওয়ার প্রতিধ্বনি। পানির ঢেউ। বঙ্গবন্ধু বাঙালি জীবনের পরিচয়। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী হোক তাৎপর্যময়।

নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।

RELATED ARTICLES

Most Popular