যুগ বদলে গিয়েছে, দ্রুততার সঙ্গে এগোচ্ছে প্রযুক্তি। তবু এখনও কিছু অন্ধবিশ্বাস মানুষের মন থেকে দূরে ঠেলে দেওয়া সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা অন্ধবিশ্বাসেরই আরও এক উদাহরণ।
মৃগী রোগে আক্রান্ত এক নাবালিকা। অনেক চিকিৎসা করিয়েও মেলেনি সুরাহা। এর মধ্যেই ওই নাবালিকাকে সুস্থ করার উপায় বের করলেন পরিবারের লোকজনেরা। এক তান্ত্রিকের শরণাপন্ন হয়ে নাবালিকাকে সুস্থ করার চেষ্টা চালান তারা। এরপরেই সুস্থ করার অছিলায় ধর্ষণ(Raped by tantric) করা হয় নাবালিকাকে। পরিবারের পক্ষ থেকে দায়ের করা হয় অভিযোগ।
সূত্রের খবর, ১৪ বছরের ওই নাবালিকার স্নায়ুর সমস্যায় ভুগছিল। তাকে সুস্থ করার নামে ওই তান্ত্রিক গত সপ্তাহে নাবালিকার বাবার অনুপস্থিতিতে হাজির হয় বাড়িতে। সেই সময়ে ওই তান্ত্রিক জানায়, অশুভ আত্মা ভর করেছে ওই নাবালিকার মধ্যে। এরপরেই তা দূর করতে নিজের সঙ্গে নিয়ে যায় ওই নাবালিকাকে।
এরপরেই একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ওই তান্ত্রিক নাবালিকাকে ধর্ষণ(Raped by tantric) করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের কুসাম্বিতে ঘটেছে এই ঘটনা।
এরপরেই ওই নাবালিকা বাড়িতে ফিরে তৎক্ষণাৎ বাড়ির লোকজনকে জানায় গোটা ঘটনার বিষয়ে। তারপরেই পরিবারের লোকজনেরা পিপড়ি থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।
ওই থানার স্টেশন হাউস অফিসার শ্রাবণ কুমার সিং জানিয়েছেন, ওই তান্রিকের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির এবং পকসো আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ধর্ষণের অভিযোগে তান্ত্রিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
