শনিবার, মে ২, ২০২৬
Homeবিবিধকুলখানিতে এত মানুষ মরলো কেন?

কুলখানিতে এত মানুষ মরলো কেন?

নিউজ ডেস্ক:

চট্টগ্রামের সদ্য প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানিতে পদদলিত হয়ে কেন এবং কীভাবে ১০ জন মানুষ মারা গেল, সে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে মানুষের মুখে মুখে।

পুলিশ, স্বেচ্ছাসেবীদের বক্তব্য ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে এই মৃত্যুর পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ জানা যাচ্ছে।

১. যে কমিউনিটি সেন্টারে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেখানকার ধারণ ক্ষমতা তিন/চার হাজার হলেও সেখানে খাবারের আয়োজন করা হয় ১০ হাজার মানুষের। ফলে মানুষের চাপ ছিল দ্বিগুণেরও বেশি।

২. কমিউনিটি সেন্টারের রাস্তা ছিল ঢালু আর সরু, ফলে গেট দিয়ে ঢোকার সময় হাজার হাজার মানুষের চাপে সামনের বেশকিছু মানুষ মাটিতে পড়ে যায়। আর তাদের ওপর দিয়েই পার হয়ে যায় কয়েক হাজার মানুষ।

৩. পেছনের গেট দিয়ে ভিআইপিসহ অনেকেই খেয়ে বের হয়ে যাচ্ছে, এমন খবর শুনে সামনের লোকজন মনে করতে থাকেন খাবার শেষ হয়ে যাবে। ফলে তারা হুড়োহুড়ি শুরু করেন এবং সম্মিলিতভাবে ফটকের দিকে চাপ সৃষ্টি করেন।

৪. গেটে পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবী ছিলেন না। তাছাড়া মানুষের অত্যাধিক চাপ দেখেও ফটক একবারে খুলে দেয়া এই দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।

মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানিতে চট্টগ্রামের ১৩টি কমিউনিটি সেন্টারে কুলখানির আয়োজন করা হয়েছিল। তার একটি ছিল এই রীমা কমিউনিটি সেন্টার।

স্থানীয় সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, অমুসলিম ও যারা গোমাংস খান না, তাদের জন্যই এই কমিউনিটি সেন্টারটিতে খাবারের আয়োজন করা হয়েছিল।

যদিও সবার নাম পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি। তবে মনে করা হচ্ছে যারা মারা গেছেন, তাদের সবাই অমুসলিম।

গত ১৫ ডিসেম্বর মারা যান চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী।

নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।

RELATED ARTICLES

Most Popular