দিনাজপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর ও একজন নারীর একটি ভিডিও ভাইরাল হয়ে দেশজুড়ে বেশ তোলপাড় হয়েছিল। এবার একইরকম নারী কেলেঙ্কারীতে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মাহমুদুল আলমের বিরুদ্ধে।
একটি ভিডিও বার্তায় এক নারী দাবি করেছেন, পরিচয় হওয়ার পর ডিসি মাহমুদুল আলম নানা প্রলোভন দেখিয়ে তার সাথে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। সেই ফাঁদে পা দিয়ে সংসার ভেঙেছে তার। ঘটনা প্রকাশ করলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ওই নারীর।
ভিডিওতে ওই নারী আরও দাবি করেন, জামালপুরের ডিসির নারী কেলেঙ্কারী ফাঁস হওয়ার পর তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক। ঘটনা জানাজানি করলে, হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। বিষয়গুলো কাউকে জানালে চাকরি থেকে বহিষ্কার ও রাজাকারের সন্তান বানিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করেন ওই নারী।
ওই নারী মূলত দিনাজপুরের একটি স্কুলের শিক্ষিকা। যোগযোগ করা হলে এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি তিনি। পরিবারের সদস্যরাও এই বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ।
দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মাহমুদুল আলম দাবি করেছেন, এই ঘটনার সাথে তার কোনও সম্পৃক্ততা নেই। তিনি বলেন, ‘আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে বিষয়টি তদন্ত করে চলে গেছেন। তারাই এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। ওই ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’
এমন ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা। তারা জেলা প্রশাসকের অপসারণ এবং তার শাস্তি দাবি করেছেন।
মুক্তিযোদ্ধা মোজাহার নিউজ টাঙ্গাইলকে বলেন, এই জেলা প্রশাসক এক মুক্তিযোদ্ধার কন্যার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছেন, যা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। এজন্য তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা লীগ দিনাজপুর শাখার সভাপতি সহদেব চন্দ্র রায় বলেন, এই জেলা প্রশাসক মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি নয়। তাই আমরা তার অপসারণ চাই।
নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।