জানা গেছে, ভোটারদের কাছে জনপ্রিয়তা না থাকায় ওসি, ইউএনও, পুলিশ এবং সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারসহ প্রশাসনের সবাইকে টাকা দিয়ে ভোট পাওয়ার পরিকল্পনা করছেন তিনি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে নাম প্রকাশ না করার শর্তে পটুয়াখালীর ৮টি থানার ৩ জন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, আসন্ন নির্বাচনে জয়ের জন্য যত অর্থ প্রয়োজন তা ঢালতে প্রস্তুত আলতাফ হোসেন চৌধুরী। আর তাই প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহযোগিতা চান তিনি। তিনি জানান, এরইমধ্যে ইউএনও, পুলিশ ও সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করেছেন তিনি। তাদের সহযোগিতা পেলে এবং তিনি সাংসদ নির্বাচিত হলে প্রত্যেকে সহযোগীদের নিশ্চিন্ত জীবন যাপনের সব ধরণের সুবিধা দিতেও প্রস্তুত বলে আশ্বস্ত করেছেন।
বিএনপি প্রার্থীর এমন তৎপরতায় ওই আসনের ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তারা বলছেন, অসৎ উপায়ে সাংসদ নির্বাচিত হলে তিনি কেবল নিজের আখের গোছাতে ব্যস্ত থাকবেন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে পটুয়াখালীর উন্নয়ন।
এ প্রসঙ্গে একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, বিষয়টি খুবই উদ্বেগের। বিএনপির চরিত্রে এমন কালিমা নতুন নয়। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সুযোগ-সুবিধা বর্তমান সরকার যেভাবে নিশ্চিত করেছেন তাতে তারা কোন রাষ্ট্রদ্রোহী ষড়যন্ত্রের অংশীদার হবেন তা আমি মনে করি না। পটুয়াখালী-১ আসনের বিএনপি প্রার্থীর এই পরিকল্পনা বিবেচনায় নিয়ে সরকারের তদারকি করা উচিৎ। কেননা ক্ষমতায় যাওয়ার লক্ষ্যে সারা দেশেই হয়তো এমন তৎপরতা চালাচ্ছে বিএনপির প্রার্থীরা।
প্রসঙ্গত, চলতি ডিসেম্বরে একটি খবর প্রকাশিত হয়েছিলো যেখানে দেশের প্রতিটি থানার কর্মকর্তাদের উৎকোচ প্রদানের মাধ্যমে নির্বাচনী মাঠ নিজেদের দখলে নেয়ার পরিকল্পনা করছিলো বিএনপি। ধারণা করা হচ্ছে, এমন পরিকল্পনায় উদ্বুদ্ধ হয়েই আলতাফ হোসেন চৌধুরী প্রশাসনকে কুক্ষিগত করার তৎপরতা শুরু করেছেন।
